1. salmankoeas@gmail.com : admin :
হকিকতে মাহে রমজানুল মোবারকের আধ্যাতিকতার নির্দশন স্বরুপ,আমাদেরকে কি শিক্ষা দিয়েছেন - দৈনিক ক্রাইমসিন
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা দৈনিক ক্রাইমসিনে সংবাদ প্রকাশের পরে দুই প্রধান শিক্ষককে শোকজ মাধবপুরে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ দুমকিতে কৃষি ব্যাংকের এটিএম বুথের লেনদেন কার্যক্রম শুরু দুমকিতে বিএমএসএফ’র যুগপূর্তি উৎসব পালিত। দুমকী উপজেলায় পটুয়াখালী ভার্সিটিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি সহকারী শিক্ষা অফিসারের যোগসাজশে প্রশিক্ষণ ফাঁকি দিয়ে নির্বাচন ডিউটিতে প্রধান শিক্ষক দুমকিতে জামলা সরকারি খাল অবৈধ, দখলমুক্ত করল প্রশাসন। দুমকি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকের সাথে মতবিনিময়।

হকিকতে মাহে রমজানুল মোবারকের আধ্যাতিকতার নির্দশন স্বরুপ,আমাদেরকে কি শিক্ষা দিয়েছেন

জাহারুল ইসলাম জীবন 
  • Update Time : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৪১ Time View

জাহারুল ইসলাম জীবন  (সাংবাদিক,লেখক ও গবেষক), মেহেরপুর থেকে:

বাংলায় আমরা বলি রোজা,আরবিতে রোজাকে সিয়াম বলা হয়ে থাকে।মূলত রোজা বা সিয়াম সাধনা যাহাই আমরা বলি না কেন,রোজা মূলত রমজ ধাতুগত শাব্দিক অর্থ থেকে এসেছে।

এ-র অর্থ হলো জ্বালাও, পোড়াও, দহন করো,নিঃশেষ করো দাও, বিরত থাকো। কি, দহন করিতে হবে?  কি জ্বালিয়ে দিতে হবে? কি নিঃশেষ করে দিতে হবে? কি থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে? আসুন আমরা জানি। আল্লাহ পাক সুবহানাহু তালা রোজা বা সিয়ামের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে আমাদের কে কি শিক্ষা দিতে চেয়েছেন? রোজা বা সিয়ামের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্ট জগৎতে মালিক জ্বীন ও ইনসানের উপর সৃষ্টির এরাদতের ইনসানিয়াতের হকিকতে প্রকৃত অর্থে কিসের নিয়ামক বা আত্নঃ কল্যাণ নিহিত রেখেছেন? এ-ই রোজা বা সিয়ামের মধ্যে কিভাবে, রহমত-মাগফিরাত এবং নাজাতের অন্তঃস্থিত সত্ত্বার কি হাকিকত লুকায়িত রহিয়াছে? তাহা জানার প্রয়োজন আমাদের সকলের। আসুন কিছুটা হলেও জানার চেষ্টা করি।বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে হাকিকি ভাবে ধর্মীও তাৎপর্য্যের বিশ্লেষণের মাধ্যমে খুব স্বাভাবিক ভাবে ভাবলে প্রতিওমান হয় যে,এহা খুব সরল ও স্বাভাবিক শিক্ষা! ধর্মীও রীতি নীতিতে শরিয়তের ভাষায় বিশেষ মাস এ-ই মাহে রমজান, আর এ-ই রমজান মাসে দিনের বেলায় পানাহার না করে,কোন কিছু না খেয়ে রোজা পালনের মাধ্যমে আল্লাহ্- র প্রতি ভিতি/ভয় অন্তরে রেখে, আল্লাহ্-র আদেশ মেনে ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় আদেশে শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিকতার আদর্শের ভাবগাম্ভির্য্যে পবিত্র মাহে রমজানই হলো সিয়াম ও সাধনার মাস! এই মাসে ভোর রাতে সেহেরী খাওয়া ,দিনের বেলায় রোজা রেখে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, বিশেষ বিশেষ কিছু ইবাদত বন্দেগি করা,জিকির-আজগার, দান-,সদকা-যাকাত প্রদান সহ অন্যায়,জুলুম,যাবতীয় পৃথিবী কামিয়াবী পাপ পঙ্কিলতার পথ হইতে কিছুটা বিরতি থাকিলেই হইতো রমজানের হকিকত পালন সহ ধর্মীও ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মুত্তাকিত্ব অর্জন পূর্বক আল্লাহর আদেশ নিষেধ পালন করা হয়ে যাইবে!?  আসলেই কি তাই?এই বিশেষ মাসে বিশেষ বিশেষ কিছু ইবাদত পালন করিলেই কি রোজার হকিকত বা আসল উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যায়? রমজান মাসে গুটিকয়েক শরিয়তের প্রকার্শ্য পালনীয় কিছু কাজের মধ্য দিয়ে  নিয়মানুবর্তিতার অনুভূতিতে আবেষিত হয়ে রোজাদ্বারিত্বের রোজাদ্বার বনে গেলাম ও ধর্মীও আদেশ পালনের মাধ্যমে আল্লাহ্-র সন্তুুষ্টি অর্জন পূর্বক মুমিন ও মুত্তাকিত্ব হাছিল করে ফেলিলাম!?এমন ভাবাত্থে পবিত্র রমজানুল মোবারকের আসল ও গভীর তাৎপর্য্যপূর্ণ হকিকত ও আল্লাহর উদ্দেশ্য কিছুটা মিল থাকিলেও আসল উদ্দেশ্য কিন্তুু এটা নয়!?আসুন আমরা এইবার মহান রমজানুল মোবারকের মাসে, রহমত>মাগফিরাত >নাজাত এ-র বরকতময় ফজিলত পূর্ণ মাহে রমজানুল মোবারক মাস পবিত্রতার প্রতীক ও আত্নশ্রুদ্ধির সিয়াম ও সাধনার নিয়তে, প্রয়োজনীয় খাবার সহ শরিয়তের নিষেধ পূর্ণ যাবতীয় কার্য্যাবলী হইতে বিরতি/ব্রত থেকে কেন রোজা বা সিয়াম সাধনায় পূর্নাঙ্গ পানাহা সহ কিছু নিষেধ পূর্ণ কাজ হইতে বিরত থাকি,তাহার পূর্ণাঙ্গ হকিকত কি,তাহা জেনে নিই।আল্লাহ্ পাক সুবহানাহু তালা তার নিজের পরিচয় নিজেই আত্নগোপনে রেখেছিলেন,তখন এ-ই সৃষ্ট জগৎতে কিছুই ছিলো না! শুধুই ছিল এ-ই সৃষ্ট জগৎ নামক এখন যাহা আমরা বুঝি,তথা এ-ই বিশ্ব জগৎ মাঝার ছিল শুধুই জ্বলন্ত আগুনে দীপ্তময়, না-ছিলো আকাশ, না-ছিলো বাতাস, না-ছিলো মাটি,পৃথিবীটা ছিলো শূন্যতায় ভরা জলন্ত দীপ্তময়! তাই কবির ভাষায় বলা হয়েছে – “নবী (সঃ) তোমারে সৃজনে বিশালো ভূবণে আল্লাহ্ জ্বি-র ও পরিচয়,না ছিলো আকাশ,না ছিলো বাতাস,পৃথিবী ছিলো শুধুই দৃপ্তময়।” সৃষ্টির এরাদতে নিজের অবচেতনাময় অবচেতনে মহান আল্লাহ্ তালা একাই ছিলেন এ-ই বিশ্ব জগৎ মাঝারে একক অবচেতনায় অবচেতন মনে। এক সময় নিজের কাছে নিজের একাগ্রতা ও নিঃসঙ্গতা এবং নীরবতা আর ভালো লাগছিলো না।তাই তিনি নিজের লজ্জতের হাউসের এরাদতে ভালোবাসার নূরময় আইনায় নিজের  ইচ্ছায় নিজের নূরময় চেহারা দেখে নিজেই নিজের প্রেমে প্রেম দেওয়ানা হয়ে ভালোবাসার ইশক্কের মহব্বতের পড়ে গেলেন!তাই আল্লাহ্ তালার নিজের কাছে নিজেই প্রশ্নের উদ্ভবের জাগ্রতায় হয়ল! তিনার এতো সুন্দর নূরময় চেহারা বা রূপ কে দেখিবে?  কে তার এই নূরময় রুপের প্রশংসা করিবে? তাই তিনি নিজেকে প্রকাশ করিবার ইচ্ছে প্রশন করিলেন।নিজেকে প্রকাশ করিবার জন্য সৃষ্টি করনের ধারায় উপণিত হয়ে,মহান আল্লাহ্ পাক তিনি নিজের নিজেশ্ব চেহারার জাতী নূর থেকে আর একটি জাতী নূর সৃষ্টি বা বাহির করিলেন।এইনূরকে তিনি নিজের ভালোবাসার হাকিকি হাকিকতে আহাম্মদ নামে নিজের ভিতর রাখিয়া এই নূরের নাম দিলেন “হাকিকতে মুহাম্মদ।” সময়ের ব্যবধানে রুপান্তরের রুপান্তর ও স্হান ভেদে  পরবর্তীতে “নূরে মুহাম্মদ ” ও “মানুষ মুহাম্মদ ” নামে সৃষ্টিকে রুপান্তর ভেদে রুপান্তর করিয়াছেন। হাকিকতে মুহাম্মদ এর স্তর থেকে বহু সময়ের ব্যবধান ও স্হান ভেদে ” নূরে মুহাম্মদ” সৃষ্টি বা তৈরী করেন।এই “নূরে মুহাম্মদ”-কে প্রধান চার ভাগে ভাগ করেন।এ-ই চার ভাগের  এক একটি ভাগকে আরো চার ভাগে ভাগ করে বিশ্ব দো- জাহানের মালিক মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ্ সুবহানাহু তালা তিনার একক কুদরতি ক্ষমতায় বিশ্ব দোজাহানে আগুনের পর-পানি-মাটি- বাতাস সৃষ্টি সহ সাত দিনে সাত স্তরের বিন্যাসে তিনার ইচ্ছার এরাদতের হাকিকতে এক এক করে বিশ্ব দো-জাহানের সমগ্র সৃষ্টিকে সৃষ্টি করিয়াছেন!নিজের অবচেতনায় অবচেতনার অমিয় ধারায় দ্বিতীয় স্তরে নিজের অবচেতন মনের ভিতর থেকে বাস্তবিক সৃষ্টি প্রেমের প্রেমময় সম্পদ ফুঁতৎকারে “কুন শব্দের” মাধ্যমে একফোঁটা জাতী নূর (—) নিজের ভিতর থেকে বেরিয়ে বাহির করিলেন।এ-ই  নূরকে দেখে তিনি বিমূহিত হয়ে তিনি তিনার এই দ্বিতীয় সৃষ্টিকে প্রথম শাব্দিক ভাষা শব্দের মাধ্যমে প্রথম প্রশ্ন করিলেন-  “কুলু বালা”? আমি কে?  আর তুমি কে? তখন ফুঁৎকারকৃত নূর মহান আল্লাহ্ তালার জবাবের প্রশ্নে জবাব দিয়ে বলেন,আপনি আমার স্রষ্টা আর আমি আপনার সৃষ্টি, আমি কেবল মাত্র আপনার আরাধনা ও প্রেম সাধনায় ব্রত থাকিবো-এবং সদাসর্বদায় সকল সময় আপনার আদেশ নিষেধের গোলামী সহ আপনার প্রেম সাধনায় ইবাদাতরত অবস্থায় আপনার গুনোগানে মসগুল রহিবো। এ-ই সৃষ্ট নূরটিকে আল্লাহ্ পাক গুপ্ত ভাবে নাম রাখিলেন” নফ্স।” এ-ই নফ্স প্রথম প্রথম সে আল্লাহ্ পাক সুবহানাহু তালার সৃষ্টিতে খুশি হয়ে এবং আল্লাহ্ তালার কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও ওয়াদা পূরনের জন্য প্রেমের গুনো গান এবং আল্লাহ্- র আদেশ নিষেধ সদা সর্বদা যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সহিত ভক্তি শ্রদ্ধা ভরে পালন করিতে লাগিলো। এ-ই ভাবে চলতে চলতে সময়ের ব্যবধানে ঐ নফ্স এক সময় ধীরে ধীরে আল্লাহ্-র ইবাদত, প্রেম, ভালোবাসা, মহব্বত সব কিছুই ভুলতে শুরু করে দিলো এবং আল্লাহর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধ চারন করিতে লাগিলো।একের পর এক সময়ের ব্যবধানে সে, সর্বশেষ মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু তালার সমস্ত অস্তিত্ব কে পুরোপুরি অ-শিকার করে বসিল! তখন-ই মহান সৃষ্টা রব্বুল আলামীন আল্লাহ্ তালা এ-ই নফ্স এর উপর রাগে,ক্ষোভে, আক্রশে পরাক্রমশালী কাহারু রুপ ধারন করে এ-ই নফস্ নামক তাহার নিজের ভিতর থেকে নি:সৃত সৃষ্টি কে,শাস্তি প্রদান করিবার জন্য নানামুখী শাস্তির ব্যবস্থা করে শাস্তি দিতে থকিল।শাস্তির পর শাস্তি এবং লেলিহান শিখার আগুনে পুড়িয়ে পুড়িয়ে শাস্তি দেওয়ার পরও এ-ই নফ্স আল্লাহ কে আর শিকার করেনা,এমন কি সে দূর্বলও হয়ে না! আল্লাহ তালা এ-ই নফ্স এ-র উপর আরো রাগান্বিত হয়ে কঠোর থেকে কঠিন এবং মহা ভয়ানক শাস্তি দিতে লাগিলেন, কিন্তুু তাতেও ঐ নফ্স দূর্বল হওয়া তো দুরের কথা, সে আরো আল্লাহ্ পাক সুবহানাহু তালাকে অ-শিকার ও বিরুদ্ধ চারনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলো! তখনই মহান সৃষ্টা তিনি তো সকল কিছুই অবগত আছেন এবং জানেন ও বোঝেন,তাই তিনি এ-ই নফ্স নামক সৃষ্টি কে আর কোন প্রকার শাস্তি না দিয়ে,পরবর্তীতে নিরব শাস্তি স্বরূপ এই নফ্স কে তার চাহিদা মোতাবেক সমস্ত প্রকার খাবার ও রসদ সামগ্রি ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে বন্ধ করে দিতে লাগিলেন।একদিন দুই দিন তিন দিন এইভাবে কয়েক দিন যেতে না যেতেই এ-ই বিরুদ্ধ চারন নফ্স আস্তে আস্তে নিজেকে দূর্বল অনুভব করিতে লাগিলো। সে তখন আল্লাহ্ তালার কাছে বলিতে লাগিলো, হে আল্লাহ্ তুমি তো আমাকে সৃষ্টি করেছো এবং আমাকে আমার রিজিক বণ্টন করে দিয়েছো,তাহলে আমাকে আমার রিজিকের বন্টন কৃত খাবার কেন দিচ্ছো না? আমাকে  আমার খাবার দাও, তা না হলে আমিতো দূর্বল হয়ে যাচ্ছি, আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় শক্তি শিথিল ও নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি। তোমার দেওয়া রিজিকে আমি রিজিক প্রাপ্ত।তাহলে তুমি আমার রিজিক আমাকে না দিয়ে, কেন আমাকে আমার রিজিকের বন্টনকৃত খাবার এইভাবে বন্ধ করে দিলে? তার পরও আল্লাহ তায়ালা এ-ই নফ্স এ-র কথা শুনেও না শোনার অবস্থায় সময় কাটাতে লাগিলেন। এমন এক সময় নফ্স যখন কোন ক্রমেই আর খাবার পেল না,তখন সে মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ পাক সুবহানাহু তালার কাছে করুন ভাবে তার কৃতকর্মের জন্য অনু- সুচনা ও অ-কৃতজ্ঞার জন্য আল্লাহ্ পাক পরওয়ার দিগারের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে লাগিলো এবং এমন অ-কৃতজ্ঞা ও আল্লাহ্ তালার বিরুদ্ধে কোন প্রকার বিরুদ্ধ চারণ ও অ-শিকার পূর্বক পাপমূলক গৃহিত অপকর্ম আর করিবেনা বলে ওয়াদা করিলেন এবং মহান সৃষ্টি কর্তাকে সে একমাত্র রব ও মালিক বলে ওয়াদাপূর্ণ শিকার করে নিলেন। “এখানেই প্রতিওমান হয় যে,আল্লাহ্ পাক সুবহানাহু তালা এ-ই নফ্স কে শাস্তির পর শাস্তি এবং মহা শাস্তি দিয়েও কোন প্রকার কন্ট্রোল করিতে না পারিয়া পরবর্তীতে কেবল মাত্র খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ সামগ্রী বন্ধ করনের মাধ্যমে এবং শুধুমাত্র ক্ষুধার আগুনের অগ্নি জ্বালায় জ্বলিয়েই, এ-ই “নফস্” এর সমস্ত ইন্দ্রিয় শক্তিকে দূর্বলতার মাধ্যমে কন্ট্রোল করিলেন!
এ-ই প্রক্রিয়ায় মহান আল্লাহ্ তালা তিনার প্রতি এই নফস্ কে বর্শীকরন করে পরবর্তীতে ভালোবাসার অমিয় ধারায় প্রেমের মাধ্যমে আল্লাহ্-র ভিতি ও ইবাদতের নানাবিধিও ধর্মীয় ধারার আবেশে আবেশিত করনের মধ্য দিয়েই,এ-ই নফ্স কে পূনরায় আল্লাহ্ মূখী করেছিলেন। এই নির্দশন- কৃত উপমা পরবর্তীতে সৃষ্টির সৃষ্ট করনের ধারায় প্রয়োগ করনের জন্য রুপান্তরিত ধারায় রেখে দিলেন।
সৃষ্টি করনের পরবর্তী ধারায় নিজের ভিতর “আত্না> আল্লাহ্ তালার নিজেশ্ব জাতি সত্তার ছেফাতি রুপের রূহানীয়াতের রুহানী অদৃশ্য চেহারা/রুপ (নূরময় জ্বতিদৃপ্ত আলো) ও রুহু সম্বলিত আল্লাহ্ তালার জাতি সত্তার জাতে হাকিকি হুকুম/গুন (গুনাগুন সম্বলিত হুকুম)-এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে, আল্লাহ্ তালা উপরোক্ত দুইয়ের সংমিশ্রণের প্রর্যায় ক্রমে-র ধারায় – “কাল্ব> রুহু> ছের> খফি> আক্কফা> আব্ > আতশ> খাক্> বাদ> নাফস্ “- লতিফায় সৃষ্টিকরন করে ” নূরে মুহাম্মদির ভিতরে সংযুক্তি বা প্রতিস্হাপন করিয়া, জ্বীন ও মানুষ জাতির মধ্যে “মানুষ মুহাম্মদ” রুপের রুপিও ধারায় সর্ব প্রথম আদি পিতা বাবা আদম (আঃ) এর ভিতর এই রুহানিয়াতে জাতি হাকিকি /হুকুমে,এই দশ প্রকার লতিফাকে রুপান্তর করে প্রধান ছয় রিপুর ধারায় রুহুর কভারের মড়কের ভিতর আবৃত করে- রুহুকে প্রধান করে রুহুর ভিতর >কাল্ব+ছের+খফি+আক্কফা+নাফস্ প্রবেশ করিয়া এ-ই পাঁচ লতিফার গুনাগুন সম্বলিত সমন্বয়ে ছয় লতিফায় যুক্ত হয়ে “রুহু ” নামে নিজেকে একক আল্লাহ্ তালার হুকুমের আদেশ হয়ে রুহানিয়াতে রুহু হয়ে আল্লাহ্ তালার আদেশ হয়ে, আল্লাহ্-র ভিতরে অবস্হানরত অবস্হায় রাখিলেন।
আল্লাহ্ তালা নূর দ্বারা ফেরেস্তা সৃষ্টি করিলেন,নূরের তৈরী ফেরেস্তারা শুধুই আল্লাহর আদেশ নিষেধ সহ সমস্ত সময় ভালো কাজ কর্ম ও আল্লাহর গুনো গান ছাড়া কিছু বুঝতেন না।এমন একক শুধুই ভালো আর ভালো, আল্লাহর কাছে ভালো লাগলো না।
তাই তিনি এবার শুধুই আগুন দ্বারা জ্বীন জাতী সৃষ্টি করিলেন।আগুনের তৈরী জ্বীন জাতী সৃষ্টির পর,জ্বীন জাতীও প্রথম প্রর্যায় শুধুই ফেরেস্তাতের মতো আল্লাহর আদেশ নিষেধ সহ আল্লাহ তালার ধর্ম কর্ম ও ইবাদত ছাড়া কিছুই বুঝিতো না,পরবর্তীতে জ্বীন জাতিও হঠাৎ করে নিজেদের কে আল্লাহ্ প্রতি প্রেম/ ভালোবাসা ভূলে আল্লাহর আদেশ নিষেধের বিরধীতা সহ সকল প্রকার আল্লাহর ধর্ম কর্ম ভূলে নফস্ এর মতো একই অবতারনায় নিজেদের কে আল্লাহর প্রতি শুধুই বিরুদ্ধ চারন সহকারে সকল সময় নানান পাপ কর্ম ও বিভিন্ন ফেতনা ফ্যাসাদের মধ্যে নিজেদের লিপ্ত করিলেন।এমনটাও আল্লাহ তায়ালা ভালো লাগলো না।
তাই এবার আল্লাহ তায়ালা দোষে গুনে মানুষ/ আদম সৃষ্টি করিবার ইচ্ছে প্রশন করিলেন।
এবার আল্লাহ তালার মাটি দ্বারা আদম/ মানূষ সৃষ্টির জন্য ফেরেস্তাদের নির্দেশ দিলেন।আল্লাহর এই নির্দেশের প্রতি সমস্ত ফেরেস্তাগন প্রথম প্রর্যায়ে আল্লাহ্ তালার এই নির্দেশের প্রতি কিছুটা বিরোধীতা করছিলেন। কিন্তু আল্লাহ্ পাকের কঠোর নির্দেশের ধারায় ফেরেস্তারা আদম তৈরিতে সম্মত হইলো,তাই মাটির চার মিশ্রণের সংমিশ্রণে যেমুন:-( আব্+আতশ+খাক্+ বাদ) -যেমন:- আগুন+মাটি+পানি+বাতাস এ-ই চার মিশ্রনে তৈরী,মাটির আদম নামক জড় মূর্তিওমান পুতুল তৈরী করার পর চেহারা বা রুপ দিতে পারছিলোনা,তখন আল্লাহ্ তালার সাহায্য কামনা করিলেন।আল্লাহ্ তালা সাত পর্দার অন্তরালের আড়াল থেকে নিজের চেহারার অবায়ব গঠন ফেরেস্তাতের দেখিয়ে দিলেন।আল্লাহ্ তালার নিজের রুপ/ ছুঁরুতে তৈরী হয়ে গেল মাটির তৈরী আদম!এই মাটির তৈরীকৃত আদম কোন ক্রমেই নড়াচড়া করেনা, কথা বলেনা, তাকায় না,বলতে গেলে এই অবস্হায় আদমের ভিতর জীবন্ত কোন রুপ ও অনুভূতি ছিলো না।জড় ও অনুভূতিহীন আদমের পরবর্তী জীবন্ত রুপের সমস্ত ইন্দ্রিয় অনুভূতির জন্য ফেরেস্তা সকল আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানালেন। এমন অবস্হায় আল্লাহ্ পাক তিনার ভিতরে থাকা এ-ই “রুহু” নামক ছয় প্রকার প্যাকেজের হুকুম কে আল্লাহ তায়ালা চার প্রকার প্যাকেজের মাটির তৈরী আদম নামক পুতুলের ভিতরে ফুৎকারে প্রবেশ করিয়া দিলেন। অত:পর এই আদমের ভিতর অন্ধকার ভূবণে “রুহু” নামক আল্লাহর প্যাকেজ হুকুম কোন ক্রমেই একা এই একক অন্ধকার আবদ্ধতায় পূর্ণ স্হানে থাকিতে চাই না!বার বার বাহির হয়ে আসিতে চাই, তখন মাটির তৈরী জড় পুতুল সাদৃশ্য মূর্তমান আদমের ভিতর আল্লাহ্ নিজের জাতি নূরময় ছেফাতির জ্যোতিময় নূরে মুহাম্মদের অদৃশ্য নূর/আলো হয়ে আল্লাহ্ তালা নিজে গোপনে অদৃশ্য আত্না রুপে (নূরময় জাতি আলো) আত্নারূপী নাম নিয়ে মাটির তৈরী আদমের মধ্যে/ভিতরে প্রবেশ করিলেন।এ-ই আত্না নামক উজ্জল জ্যোতিরময় আলোয় আলোকিত হয়ে রুহু আর বাহির হয়ে আসিতে চাইলো না বা আসছিলো না,সে আদমের মধ্যেই থাকিতে ইচ্ছে প্রকাশ করিলেন আর আদমের দেহ হইতে বাহির হয়ে আসিলেন না! তখনি জড় মাটির তৈরী মূর্তিমান আদম (আঃ) হাঁছি দিয়ে চোখ মূখ খুলে নড়ে চড়ে উঁঠে আল্ হামদুলিল্লাহ্ বলে উঁঠিল এবং জীবন্ত আদম রূপে আল্লাহ্ তালার কুদরতের মহিমায় সৃষ্ট তৈরী মাটির তৈরী আদম! জীবন্ত মানুষ আদম(আঃ) হিসেবে আত্নঃপ্রকাশ করিলেন।
এখন আজাজিল সহ সকল ফেরেস্তাগনকে আল্লাহ্ তালা হুকুম করিলেন যে,তাহার তৈরি সৃষ্ট এ-ই আদমকে সেজদা করিতে! আজাজিল ব্যতিত সকল ফেরেস্তাগন এ-ই আদমকে আল্লাহর আদেশে সেই দিন সিজদাহ্ করেছিলেন।এহেন পরিস্থিতিতে অতিব অহঙ্কারী আজাজিল আদমকে সেজদাহ্ করিল না! আদমকে সেজদাহ্ না করার কারনে ও আল্লাহর হুকুম এবং আদেশ পালন না করায়,আজাজিল আল্লাহর প্রকাশ্য বিরোধিতা করার জন্যই, আল্লাহ্ তালা পরাক্রমাশীল কাহারা রুপে রাগান্বিত হয়ে এ-ই আজাজিল কে লানতের মালা গলাই পড়িয়ে প্রকাশ্যই শয়তান হিসেবে আখ্যা দিয়ে বেহেস্ত হইতে বাহির করে দিলেন। সেই থেকেই আজাজিল হইল মানুষ ও জ্বীন জাতির জন্য প্রকাশ্য ও গোপনীয় শত্রুু ও ধোঁকাবাজ চিরো বিপদগামী “শয়তান।” এখানে বলাবাহুল্য যে, আজাজিলের কোন রুহানীয়াতী শক্তি বা রুহানী চোক্ষু ছিলোনা।সে ধর্ম -কর্মে আল্লাহ্- র অতিব নিকটবর্তী হয়ে ছিলেন বটে্ কিন্তু এই ধর্ম- কর্মের কারনে আল্লাহর নিকটতম হওয়ার কারনে সে নিজেকে আল্লাহ্- র কাছে অতিব মর্যাদাপূর্ণ মনে করিতো এবং আত্নঃঅহঙ্কারী হয়ে উঠেছিলো। আজাজিলের এমন কৃতকর্মের কারনে আল্লাহ তালা আজাজিলকে কোন রুহানীয়াতের শক্তি বা রুহানি চোক্ষু দান করেন নাই।তাই আজাজিল বুঝতেই পারিনি যে, আল্লাহ তায়ালা অদৃশ্য আত্না রুপে নূরানী নূর হয়ে এ-ই মাটির তৈরী আদমের ভিতর প্রবেশ করে বসে আছেন! কিন্তু ফেরেস্তারা সকলেই রুহানীয়াতের রুহানী চোক্ষু দ্বারা আল্লাহর এমন গোপনীয় অবতারনার অবতারের অদৃশ্য ভাবে আদমের ভিতরে প্রবেশ দেখতে পেয়েছিল তাই, ফেরেস্তারা কোন প্রকার বিরোধপূর্ণ আচারন না করেই অকপটে আল্লাহর আদেশে মাটির তৈরী আদম কে সেই দিন সেজদাহ্ করেছিলেন।আর অতি চালাক আত্ন:অহঙ্কারী আজাজিল আল্লাহ্ এমন অদৃশ্য কুদরতী কারিশমা মাটির তৈরী আদমের ভিতরে আল্লাহর গোপনীয় অবস্হান কিছুই জানতে না পারার জন্য,এবং আল্লাহর আদেশে আজাজিলের এমন অবাধ্যকতার জন্য আল্লাহ্ তালা এই আজাজিল কে চিরো শয়তান রুপে বেহেস্ত হইতে বাহির করে দিলেন।এ-ই নফ্স এ-র কু-খায়েশে পড়ে নফ্সীয়াতের আম্মারায় পতিত হয়ে আজাজিল চিরো জাহান্নামী শয়তান রুপে এই বিশ্ব জগৎতে বিপদগামী জ্বীন ও ইনসানের অতি নিকটবর্তী ধোঁকাবাঁজ/শয়তান হিসেবে অদৃশ্য অবস্থায় পৃথিবীতে সমগ্র জায়গায় বিচরণের ক্ষমতা ও জ্বীন এবং আদম/ মানূষ সন্তানদের আল্লাহ্- র প্রতি বিরুদ্ধচারন সহ যাততীয় পাপ কর্ম করনের মাধ্যমে বিপদগামী পথে পরিচালিত করে মহাপাপী বানিয়ে আল্লাহর দুশমনে পরিনত করে জাহান্নামে নিয়ে যার জন্য আল্লাহর কাছে তাহার জীবনের যাবতীয় সৎ কর্মের প্রতিদান কামনায় বিশেষ ক্ষমতা চাইলেন।আল্লাহ তালা এ-ই আজাজিল কে এ-ই বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে এ-ই জগৎ মাঝারে রেখে দিয়েছেন কিয়ামত প্রর্যন্ত।
এখানে প্রতিওমান হয় যে,আজাজিলের পাপাচার মূলক ধোঁকা হইতে বিরত থেকে এবং নিজের ভিতরে অদৃশ্য রুপী নফস্ এর নাফসিনিয়াত হইতে নিজেকে রক্ষা করে আল্লাহ্ তালার নির্দেশিত আদেশ নিষেধ মেনে বিশেষ বিশেষ নিঃকাম ও কর্মের ইবাদতের সাধনা জেনে বুঝে ব্রত থাকিয়া এবং এই নফস্ এর ছয়টি ধারার ইনসানিয়াতি এই নফস্ কে আল্লাহ্ তালা- পাপ ও পূর্ণ্যের সূতিকাগার দ্বার হিসেবে,আল্লাহ্ তালার অতি নিকটবর্তী হওয়া আবার আল্লাহ্-র চিরো দুশমনে পতিত হয়ে মহা পাপী রুপে জাহান্নামী হওয়ার এক ধারার দুই রুপে আবর্তনে আবৃত করে এই নফস্ কে নাফসি ছয়টি ধারা সংযুক্ত করে মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ সুবহানাহু তালা মানুষ ও জ্বীন জাতীর ভিতরে প্রেরন করেছেন। তাই সঠিক ধারায় নফস্ এর এই ছয়টি স্তম্ব -১> নফ্সে আত্মারা,২> নফ্সে মোয়াৎমিন্না,৩>নফ্সে মোলহাম,৪> নফ্সে এজাজত,৬> নফ্সে এলাহী।
এ-ই নফ্সের ছয়টি ধারা একজন মানুষ ও জ্বিন যদি প্রর্যায়ক্রমে নিজেকে শিক্ষা ও ধর্মীয় আচার আচারনের ধারায় ধারাবাহিক ভাবে প্রশিক্ষনের ইজাজতে নিজেকে সঠিক ভাবে জেনে বুঝে ধার্মীকতায় তৈরীকরন করে নিজের মধ্যে প্রতিস্থাপন পূর্বক জারী ও কায়েম করিতে পারে, তবেই সে মহান আল্লাহর কাছে প্রিয় পাত্র হয়ে উঠিবে এবং মুমিন ও মুত্তার্কীত্ব ” অর্জন করিতে পারিবে এবং এ-ই পৃথিবী থেকে মুক্তি প্রাপ্ত হয়ে একজন মসুলমান হিসেবে জান্নাতের স্বাধে আচ্ছাদন প্রাপ্ত হইবে।
বাস্তবিক ভাবে বলতে গেলে অবশ্যই বলিতে হয় যে,মাহে রমজান মাস আমাদের মাঝে এসেছে, ইসলামের প্রধান পাঁচটি রকন বা স্তম্ভের একটি মহান নিয়ামক ও নাজাতের পথ তৈরী করণের জন্য। তাই এ-ই মাহে রমজানুল মোবারক মাস সহ বিশেষ বিশেষ মাস ও দিনে রোজা বা সিয়াম সাধনার মধ্যে অবস্থান করে নিজেকে ক্ষুধার অগ্নিময় জ্বালায় পুড়িয়ে এই নফস্ কে দুর্বলতার মাধ্যমে আল্লাহ্ মূখী করে,আল্লাহর প্রতি ভয়,প্রেম,অন্তরে জাগ্রত করে ক্ষুধার তাড়নাময় অদৃশ্য অগ্নিতে নিজের শরীরের যাবতীয় পাপ ও অন্যায় করার মহা শক্তিশালী ইন্দ্রের ইন্দ্রিয় শক্তি (যেমনঃ- কাম>ক্রধ>লোভ> লালসা>হিংসা >নিন্দা >কামনা>বাসনা>লিপ্সা >অহংকার)- কে দূর্বল করনের মাধ্যমে শারিরীক সমস্ত অঙ্গ প্রতঙ্গ কে রি-সাইক্লিন বা সাময়িক বিরতি দিয়ে পূনরায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতঙ্গ কে নতুনভাবে রি-ফ্রেস করে শরীরের মধ্যে জমে থাকা নানামূর্খী বিষাক্ত টকসিন নামক বিষ কে ক্ষুধার অগ্নিতে পুড়িয়ে পানি করে প্রশাব পায়খানার মাধ্যমে বাহির করিয়া শরীর কে নতুন ভাবে গঠন ও সুস্থ্যতা প্রদান (চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে) করত: এবং নফ্স নামক গোপনীয় ষড় রিপুর ইন্দ্রিয় শক্তি কে ক্ষুধার আগুনের অগ্নিতে পুড়িয়ে ও দূর্বলতার মাধ্যমে শারীরিক ভাবে পাপ করনের যে সকল ইন্দ্রিয় শক্তি রহিয়াছে তাহাদেরকে দূর্বলতার মাধ্যমে দমন/বশ্ করন সহ প্রকাশ্য ঘোষনাকারী শয়তান আজাজিলের কু প্রোচনার দ্বারা বিভিন্ন ধরনের পাপ সংঘটিত হওয়ার দ্বার কে রোজা বা সিয়াম সাধনার কঠিন সাধনার ইজাজতের মাধ্যমে নিজেকে ক্ষুধার অগ্নিতে জ্বালিয়ে শারীরিক সমস্ত ইন্দ্রকে শিথিল ও দূর্বল করে,ঈমানী জজবায় হৃদয় বা অন্তরে আল্লাহ্ প্রিতি স্হাপন ও ভয় জাগ্রত করে, বিশেষ বিশেষ ধর্মীও ইবাদতের মাধ্যমে এ-ই নফ্স ও আজাজিল কে বয়কট করন সম্ভব। তাই কেবল মাত্রই এ-ই রোজা বা সিয়াম সাধনের কঠিন ইজাজত দ্বারাই এ-ই প্রক্রিয়াটি করা সম্ভব।
কারন হিসেবে রোজাদারের শরীর খাবার না পেয়ে ক্ষুধার অগ্নিময় জ্বালায় আস্তে আস্তে দূর্বল হতে থাকে এবং শারীরিক সমস্ত পাপ ও অপকর্ম করার সমস্ত ইন্দ্র সমূহ শৈথিল্যকারে নিস্তেজ ও দূর্বল হয়ে পড়ে, তখন আর ইচ্ছে করিলেও কোন পাপ ও অন্যায় কাজ করিতে মন বা ইচ্ছে কিছুই আর সাই দেই না।শারীরিক ইন্দ্রিয় শক্তি আর আগের মত কাজ করে না। এরি পরিপ্রেক্ষিতে মহান সৃষ্টি কর্তা মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ পাক সুবহানাহু তালা এ-ই নফ্স নামক পাপ ও পূর্ণ্যের একই সৃষ্টির মাঝে দুই রুপের সূত্রাগার দ্বারকে পরবর্তী সময়ে তাহার ইচ্ছাধীন সৃষ্টি করনের মধ্যে শিক্ষনীয় শিক্ষা ও বাস্তবতার পরিবর্তনীয় পরিবর্তন ঘটমান বাস্তবতার ধারা অব্যাহত রাখার জন্যই এ-ই নিয়ম অনুসৃত অনুকরন ও বাস্তবায়ন করার জন্য সৃষ্টি জগৎতের জ্বীন ও ইনসানের উপর রোজা বা সিয়াম সাধনায় আত্নঃশূদ্ধির মাধ্যমে তিনার সৃষ্ট জগৎতে পরবর্তীতে মাহে রমজান কে ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের ধাঁরায় একটি হিসেবে ফরজ ঘোষণা করছেন।
তাই আমাদের কে মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ্ সুবহানুতালা এ-ই রোজা বা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে এ-ই পৃথিবীতে যে কয়টি শিক্ষা দিয়ে নিজের নাফসি আম্মারার অবস্থান হইতে নিজের ভিতরঃ ১- কাম>(যৌন শক্তিকে সংযমের মাধ্যমে সঠিক ভাবে পাপ মুক্ত ব্যবহার করা), ২- ক্রোধ> নিজের ভিতরের যাবতীয় রাগ নামক আক্রশ কে সঠিক মাত্রার মাধ্যমে স্হান ভেদে প্রযোজনীয় মাত্রায় প্রয়োগ করা, ৩- লোভ> নিজের ভিতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পৃথিবী কামিয়াবি লোভ বর্জন করা, ৪- লালসা> নিজের ভিতরে লোভের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যে কোন জিনিস বা কাজের প্রতি অতিরিক্ত লালসা হইতে বিরত/ পরিহার কৃত থাকা, ৫- হিংসা> নিজেকে অপরের প্রতি পর হিংসা মূলক যাবতীয় হিংসাত্বক কার্যক্রম থেকে দুরে সরে থাকা, ৬-নিন্দা> অন্যের প্রতি যাবতীয় অন্যায় পর নিন্দা বা মিথ্যার মাধ্যমে গিবত বা নিন্দা সূচক পরনিন্দাকে কে কাঁটিয়ে নিন্দা থেকে বিরত থাকা, ৭- কামনা> যাবতীয় পৃথিবী নামক এ-ই পাথিব জীবনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পাথিব জীবনে অন্যায় অবৈধ ভাবে উপার্জনের লোভনীয় কামনা অর্জন থেকে বিরত থাকা, ৮- বাসনা> প্রয়োজনের তুলনায় নিজো নিজো অন্তরের ভিতরে অতিরিক্ত পৃথিবী কামিয়াবি অতৃপ্ত রসনা ও বিলাসিতার বিলাসবহুল বাসনার ইচ্ছে শক্তি হইতে বিরত থাকা, ৯- লিপ্সা> নিজের মূখ ও জ্বিব্বা দ্বারা অন্যের প্রতি অন্যায়/ মিথ্যা মূলক যাবতীয় আক্রশ ও আক্রমাত্বক কথা বলা/ ভাষা বলা হইতে বিরত থাকিয়া নিজের কথা বা জ্বিব্বা কে সংযত করে ভালো ভাবে মিষ্টি ও নম্রতা,ভদ্রতা এবং সদা সর্বদা সত্য ও ন্যায় কথা বলা, ১০-অহংঙ্কার > নিজের ভিতরে যাবতীয় অহঙ্কার ও দাম্ভিকতা নিঃশেষ করে সকলের সঙ্গে সুন্দর ও বন্ধু/ প্রেমময় ব্যবহারের সহিত চলাফেরা এবং দাম্ভিকতা ও অহংঙ্কা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

আপনার প্রতিষ্টানের বিশ্বব্যাপি প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com