
মাধবপুর হবিগঞ্জ সংবাদদাতা :
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও এখনো তিনি বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দুটোই বাড়ছে—এত আলোচনার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?
জানা গেছে, দেশের শীর্ষ জাতীয় পত্রিকা দেশ রূপান্তর, কালবেলা, টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি, দৈনিক ভোরের ডাক, দৈনিক ক্রাইমসিনসহ একাধিক গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও আচরণগত অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রিন্ট পত্রিকা দৈনিক তরফ বার্তাতেও ধারাবাহিকভাবে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ধর্মীয় ব্যক্তিদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ‘নারিকেল-কলা কাণ্ড’সহ একাধিক বিষয় উঠে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এত গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ, মানববন্ধন ও লিখিত অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষাকর্মী বলেন, “এতগুলো জাতীয় পত্রিকায় খবর হওয়ার পরও যদি কোনো ব্যবস্থা না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগসহ অন্যান্য বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে সচেতন মহলের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়—দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় শিক্ষা প্রশাসনে আস্থাহীনতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরওপড়ুন... সুরমা চা বাগানে তলব বন্ধ: মানবিক সংকটে শ্রমিকরা, পাশে দাঁড়ালেন এমপি পুত্র
প্রকাশক ও সম্পাদক : কায়েস আহমদ সালমান
হেড অফিস: সায়হাম ফিচার কমপ্লেক্স মাধবপুর হবিগঞ্জ Email: www.dainikcrimesin@gmail.com