মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এক সহকারী অধ্যাপককে লাঞ্ছিত ও মারধরের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে এক
অ্যাম্বুলেন্সচালকের বিরুদ্ধে। আজ দুপুরে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে এই অনভিপ্রেত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
লাঞ্ছিত চিকিৎসকের নাম ডা. রথীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্সচালকের নাম মো. নাঈম।
হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে আলট্রাসনোগ্রাফির একটি রিপোর্ট সংগ্রহ করতে আসেন অ্যাম্বুলেন্সচালক নাঈম। এ সময় তিনি বিভাগে এসে হুট করে হট্টগোল ও চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এতে দাপ্তরিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় এবং রোগীদের সেবা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় ডা. রথীন্দ্রনাথ মণ্ডল তাঁকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান এবং চিৎকার করতে নিষেধ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এই সামান্য নিষেধেই চালক নাঈম অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন এবং একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন।
ঘটনার পরপরই হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগী হয়ে অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্সচালক নাঈমকে আটক করে। পরে দ্রুত তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্রে এমন ন্যাক্কারজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যেন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান জানান, এ বিষয়ে হাসপাতাল পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরওপড়ুন....... মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির প্রতিবাদ
প্রকাশক ও সম্পাদক : কায়েস আহমদ সালমান
হেড অফিস: সায়হাম ফিচার কমপ্লেক্স মাধবপুর হবিগঞ্জ Email: www.dainikcrimesin@gmail.com