নিজেস্ব প্রতিবেদক :
মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের মিঠাপুকুর গ্রামের সিএনজি স্টেশন থেকে পশ্চিমে মিঠাপুকুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা ও পানিতে একাকার হয়ে পড়ে। ফলে ওই রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন গ্রামের হাজারো মানুষ।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন তিনটি পাড়ার প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে যাতায়াত করে। আবার মুসল্লিদেরও জুম্মার নামাজ পড়তে এই পথ দিয়েই মসজিদে যেতে হয়। তবে সামান্য বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটাচলা করা দায় হয়ে পড়ে, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে এবং মুসল্লিদের নামাজ আদায়েও ভোগান্তি পোহাতে হয়।
বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কাদা জমে থাকায় যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের নিরাপদে হাঁটাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে ভোগান্তিতে পড়েন। অসুস্থ রোগী নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই কর্দমাক্ত রাস্তায় পড়ে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
মিঠাপুকুর গ্রামের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বর্ষার দিনে স্কুলে যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। অনেক সময় কাদায় পা পিছলে পড়ে যেতে হয়। তাই এ সময়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি অনেক কমে যায়।
গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক সিরাজুল ইসলাম সেরু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গ্রামের এই রাস্তায় আমরা বহু বছর যাবত ভোগান্তি পোহাচ্ছি। প্রতিটি নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা নির্মাণের আশ্বাস দিলেও আজও কোনো কাজ হয়নি। যদি অন্তত ইট সলিংও করে দেওয়া হতো, তাহলে কিছুটা হলেও আমরা স্বস্তি পেতাম।”
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসের বাণী বাস্তবে রূপ না নেওয়ায় মিঠাপুকুর গ্রামের ওই রাস্তা আজও উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। ফলে গ্রামবাসীর কাছে পাকা রাস্তা যেন এক দুঃস্বপ্ন হয়ে আছে।
আরওপড়ুন...ছাত্রদল নেতার নামে চাঁদাবাজি মামলার বাদি ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার
প্রকাশক ও সম্পাদক : কায়েস আহমদ সালমান
হেড অফিস: সায়হাম ফিচার কমপ্লেক্স মাধবপুর হবিগঞ্জ Email: www.dainikcrimesin@gmail.com