আশীষ দাশ গুপ্ত লাখাই প্রতিনিধি
লাখাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন গুলোতে প্রখর তাপে বিশেরে শিশু ও বৃদ্ধরা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। আবহাওয়া জনিত কারণে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাস সর্দি-জ্বর। এই আবহাওয়া জনিত কারণে সব বয়সী মানুষই সর্দি জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। এ জ্বরের তাপমাত্রা ১০০ থেকে ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে বলে
জানা গেছে। এতেসাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরছ গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতাল, ডাক্তার ও প্যাথলজি সেন্টারে জ্বরে আক্রান্তদের ছুটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে।
লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন কেয়ার সেন্টারে ঘুরে দেখা গেছে রোগীদের ভিড়ে ডাক্তাররা হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকেই জ্বর সর্দি কাশি শ্বাসকষ্ট শিশুদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।রোগীরা জানান বিশেষ করে ডাক্তার ও নার্স অপ্রতুলতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ঔষধ পত্র স্যালাইন সংকট রয়েছে। বেশিরভাগ ঔষধ বাহির থেকে কিনে আনতে হচ্ছে
এছাড়া ডাক্তাররা বলছে রোগীদের দুর্বলতার সঙ্গে শারীরিক নানা জটিলতা দেখা দিচ্ছে। এ সঙ্গে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে চিকিৎসকরা বলেন।
ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হলে ওষুধ সেবন করেও ৬/৭ দিনেরও আরোগ্য লাভ হচ্ছে না। আক্রান্তদের নুন্নতম ৫/৬ দিন ভুগতে হচ্ছে। জ্বর কমে গেলেও শারীরিক দুর্বলতা থাকে বেশকিছু দিন পর্যন্ত। ভাইরাস জ্বরে আক্রান্তদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিড় বাড়ছে।
লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী শামসুল আরেফীন বলেন ঈদের ছুটির কারণে ডাক্তারের সংখ্যা কম তবে ঔষধের কোন যথেষ্ট পরিমাণ আছে। হাসপাতালে ৫৬জন রোগী ভর্তি রয়েছে বর্তমানে রাতে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি আবহাওয়া পরিবর্তন এর কারণে ভাইরাস জ্বর-সর্দি বেড়েছে। এই জ্বরের তেমন এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন নেই। প্যারাসিটামল জাতীয় সাধারণ ওষুধের পাশাপাশি বেশি করে পানি-শরবত ও ভিটামিন সি জাতীয় ফলমূল খেতে হবে। পানিশূন্যতা দেখা দিলে ওরস্যালাইন খেতে হবে। জ্বরে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে না। জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবনের জন্য আহবান রাখেন তিনি।
আরওপড়ুন.......মাধবপুরে মানবিক সহায়তা বিতরণে এমপি ফয়সল: ‘মিথ্যা মামলা নয়, অন্যায়ের কঠোর বিচার’
প্রকাশক ও সম্পাদক : কায়েস আহমদ সালমান
হেড অফিস: সায়হাম ফিচার কমপ্লেক্স মাধবপুর হবিগঞ্জ Email: www.dainikcrimesin@gmail.com