
একুশের চেতনায় খেটে-খাওয়া গ্রামের মানুষ শোষণহীন সমাজ নির্মাণ চায়: রাশেদ
মোঃ বাদশা প্রমানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। এই স্লোগান সামনে রেখে একুশে ফেব্রুয়ারি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খালিশা চাপানী ডালিয়া নতুন বাজারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ডিমলা ডালিয়ায়র উদ্যোগে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় ডিমলা উপজেলা খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ডালিয়া বাজারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন,উপস্থিত বক্তব্য মঞ্চ নাটিকা,কবিতা ছড়া ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন রাশেদুজ্জামান রাশেদ যুগ্ন আহবায়ক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী।জিয়ারুল ইসলাম জিয়া সিনিয়র সদস্য সচিব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী।আনোয়ার হোসেন জাতীয় নাগরিক কমিটি উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা।নুরুজ্জামান জাতীয় নাগরিক কমিটি উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা। নয়ন ইসলাম, জাহিদ ইসলাম সামছুজ্জোহা রকসি মাসুদ ইসলাম সহ আরও অনেকে। সঞ্চালনায়,আশরাফুল ইসলাম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন উপজেলা প্রতিনিধি ডিমলা।
সমাবেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, একুশ মানে মুক্তি, একুশ মানে স্বাধীনতার বীজবপণ। রাষ্ট্র ভাষা চাই স্লোগানে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দাঁতভাঙার জবাব দিয়েছিল পূর্ব বাংলার মানুষ। তাদের নীলনকশা বাস্তবায়ন হতে দেয়নি বাঙালি জাতি। ফলে যুগে যুগে স্বৈরাচার মুক্ত করতে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে লড়াই সংগ্রাম করে। ভাষার মাসে শপথ হওয়া উচিত বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষা করা। সকল জাতের মানুষের ভাষাকে শ্রদ্ধা করা এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচালন করার যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাই একুশের চেতনায় খেটে-খাওয়া গ্রামের মানুষ শোষণহীন সমাজ নির্মাণ চায়। তার জন্য তরুণদের কাজ করতে হবে।
Subscribe to get the latest posts sent to your email.