1. salmankoeas@gmail.com : admin :
প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু দৈনিক ক্রাইমসিন-এ সংবাদ প্রকাশের পরেই নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ - দৈনিক ক্রাইমসিন
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সায়হাম গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনে মার্কিন কাঁচা তুলা প্রতিনিধি দল মাধবপুরে বিএনপিতে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জুলুমের ঠাঁই নেই: এমপি ফয়সল মাধবপুরে নোয়াপাড়ায় জাবেদের সমর্থনে উঠান বৈঠকে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি! শেষে বিশাল মিছিল। কাজিপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বাজারে অপরাধ দমনে নীলফামারী পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ: গঠিত হলো বিশেষ সমন্বয় ফ্রন্ট লাখাইয়ে ” কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস” আজ নীলফামারী টিটিসিতে দিনব্যাপী চাকরি মেলা: ১০ প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিচ্ছেন প্রার্থীরা মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল  পার্কে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ মাধবপুরে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু দৈনিক ক্রাইমসিন-এ সংবাদ প্রকাশের পরেই নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৮১১ Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
দৈনিক ক্রাইমসিন অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি নজরে আসার পর দুদকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।

২০২৫ সালের ৯ জুলাই দুদকের উপ-পরিচালক মীর্জা জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা হয় সহকারী পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলামকে। চিঠির স্মারক নম্বর—২৭৯/১(৭)।

জানা গেছে, ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে আমিনুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক কর্মকাণ্ড এককভাবে পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এমনকি বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের তথ্য অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানতে পারেন না। হাজিরা খাতা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন, অথচ ১২ বছরে একদিনও সি.এল (ঐচ্ছিক ছুটি) দেখানো হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র ও বোর্ড রেজিস্ট্রেশনের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, কোচিং বানিজ্য, নিজের পছন্দের নিম্নমানের বই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে চালু করা এবং প্রকাশক থেকে অর্থ গ্রহণসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে অনৈতিক আচরণের অভিযোগও ঘুরছে। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রীদের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি অশালীন ও সন্দেহজনক।

প্রতিষ্ঠানের ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মচারী এসব দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি এখন সর্বমহলে আলোচিত। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!