
বিশেষ প্রতিনিধি- জাহারুল ইসলাম জীবন।
৫২ এর পট্ ভূমি ২১-শের অবদান তাইতো ৭১-র স্বাধীন বাংলাদেশ আমাদের বিস্ময়কর স্বাধীনতা সার্বভূৌমত্বের অহংকার!!!
একুশ আমার অহংকার,
স্বাধীনতার মূল সূতিকাগার।
বাংলা আমার মাতৃভাষা,
রক্তে রাঙানো একুশ তাই শহীদের আত্নদানে আমাদের বাংলা মায়ের ভাষা।
সালাম বরকত রফিক জব্বার সহ নাম না জানা অনেক বাংলার দামাল ছেলেরা
ভাষার জন্য সৈনিক হিসেবে শহীদ হইল,
মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষায় বীরোচিত মর্যাদায় সম্মান দিলো।
৫২-র ২১ শে ফ্রেব্রুুয়ারী মাতৃভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠা কল্পে,
ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামে ঢাকার রাজপথ শহীদি রক্তে রঞ্জিত হলো,
তাইতো শহীদ-দের আত্নদানে
বাংলা ভাষা রাষ্ট্রীয় মাতৃভাষায় স্বাধীন স্বীকৃত সম্মান পেলো।
কোন দেশে হইনি কোন
ভাষা নিয়ে সংগ্রাম,
বাংলা আমাদের মাতৃভূমির মাতৃভাষা এটাই আমাদের গৌরবের আত্নঃ অহংকার।
পাকিস্তানের উর্দ্দ ভাষা পাকিস্তানেই থাক,
বাংলা আমাদের মায়ের ভাষা পূর্বপাকিস্তান বাংলাতেই রয়ে যাক।
বৃট্রিশ সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ শাসকের ষড়যন্ত্রে,
অভিন্ন ভারত পাকিস্তান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পেলো।
ভারত পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রিয় স্বাধীনতায় স্বাধীন রাষ্ট্র হইলো।
পাকিস্তান অবিভক্ত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে,
পশ্চিম আর পূর্ব পাকিস্তান রূপে স্বাধীনতা নামক যড়যন্ত্রের স্বাধীন স্বীকৃতি পেলো!?
বৃট্রিশ শাসকগণের যড়যন্ত্রের কুট্ কৌশলের সাংকেতিক জালে,
জাতিগত বিভেদ সৃষ্টি করে
পাকিস্তানের ধ্বংসাত্বক রাজনীতি পূর্বপাকিস্তানে শুরু হলো।
শোষনের শাসক আগ্রাসনে,
বাংলা রূপী পূর্ব পাকিস্তান ধ্বংসের রাষ্ট্রে পরিবর্তনের শোষণ শাষিত দমন নিপিড়ীত নিপীড়নের গণহত্যা সহ লুটপাট অঙ্গ রাষ্ট্রে পরিনত হতেই থাকিল।
সমগ্র শোষনের দামামায় পরিবর্তিত পরিবর্তনে রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই,
একদফা একদাবীতে বাংলা মায়ের মাতৃভাষা বাংলা চাই,
এই শ্লোগানে তিব্র ধ্বণীতে মুখরিত পূর্ব পাকিস্তানের মাতৃভূমির রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলায় চাই।
শাসন শোষণ হত্যা আর নিপিড়নে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী,
৫২-এর গণ আন্দোলনে টিকতে নাহি পেরে,
২১-শে ফেব্রুুয়ারী ১৪৪ ধারা জারী করে ঢাকা সহ সারা পূর্ব পাকিস্তানে কারফিউ দিয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলন সংগ্রামের সকল পথ বন্ধ করিতে হানাদার হায়েনার মতো হিংস্রতায় ঢাকার রাজপথে নিঃবিচারে গুলি চালিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে থাকা ছাত্র জনতাকে শহীদ করিলো!
৫২ এর ২১ শে ফেব্রুুয়ারীর ঘটমান পটভূমিতে,
শুরু হইলো পূর্ব পাকিস্তান থেকে সমগ্র বাংলাতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সূত্রে সূতিকাগার,
এ-ই সূত্র ধরেই পূর্ব বাংলাকে পশ্চিম পাকিস্তান হতে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু হইলো।
ঘটনার বর্তমান প্রেক্ষাপটে্,
৫২-র ২১শে ফেব্রুুয়ারী আমাদের শহীদের রক্তের আত্মদানে মহিমান্বিত মহিমায়,
আজ আমাদের ৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধের সূচনার সূত্রে সূত্র পাত।
দৃর্ঘ্য ৯ মাসের মুক্তি আন্দোলনের মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত শহীদের শাহাদাৎতের তাঁজা জীবনের আত্মদান!
এইতো আমাদের পশ্চিম পাকিস্তানের বিপক্ষে যুদ্ধ জয়ের প্রতিদান।
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রের মাধ্যমে সমাধান!
আজ আমাদের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন সার্বভূৌমত্ব ” বাংলাদেশ ” তাহারী জ্বলন্ত প্রমাণ।
৫২ আমাদের অহংকার ২১শে ফেব্রুুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৭১ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির ইতিহাস,
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে শহাদৎতের জীবন দান!
এইতো আমাদের বর্তমান বাংলাদেশ বিশ্বের মাঝে স্বাধীন সার্বভূৌমত্বের মানচিত্রের দাবিদারের বীরোচিত বিস্ময়িত অহংকার!!!!
রচনায়ঃ- জাহারুল ইসলাম জীবন। সাংবাদিক,মানবাধিকার মুখপাত্র,কবি, সাহিত্যিক,দার্শনিক লেখক এবং গবেষক ( জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত )।
Subscribe to get the latest posts sent to your email.