1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মাধবপুরে স্বাক্ষর জাল থেকে নারী সহকর্মীকে নির্যাতন— একের পর এক অভিযোগ অসীমের বিরুদ্ধে। - দৈনিক ক্রাইমসিন
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরের জিপিএসের সহায়তায় ছিনতাইকৃত ট্রাকসহ তিন গরু উদ্ধার মাধবপুরে শিমের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা, লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা ডিমলায় শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি যোগাযোগের নম্বর প্রকাশ লাখাইয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানহানি: ডিমলায় থানায় লিখিত অভিযোগ। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় আলোচনায় সুজিত গোপ, গ্রেপ্তার ৭ নন্দীগ্রামে ৪৮ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার, খোঁজ নিচ্ছেন এমপি মোশারফ হোসেন ​নীলফামারীতে সাইবার সেলের বিশেষ উদ্যোগ: ২৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে হস্তান্তর মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বসানো হয়েছে আইপি ক্যামেরা রকেট লঞ্চার হাতে ছাত্রলীগ নেতার ছবি ভাইরাল

মাধবপুরে স্বাক্ষর জাল থেকে নারী সহকর্মীকে নির্যাতন— একের পর এক অভিযোগ অসীমের বিরুদ্ধে।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৮৭ Time View

মাধবপুর প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর সাব-রেজিস্টার অফিসে নারী সহকর্মীকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগে নকল নবীস অসীম কুমার নাগের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী কর্মচারী গত বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে মাধবপুর থানার ওসি-কে এফআইআর হিসেবে মামলা রুজুর নির্দেশ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে খণ্ডকালীন চাকরি নেওয়ার পর অসীম কুমার নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অফিসে প্রভাব বিস্তার করেন। ভুক্তভোগী জানান, গত এক বছর ধরে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন অসীম। একাধিকবার তার বোরকা ছিঁড়ে ফেলা, জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা এবং পরবর্তীতে ভিডিও কলের মাধ্যমে নগ্ন ছবি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। জানা গেছে, তিনি সাব-রেজিস্টার জীতেন্দ্র লাল দাসের স্বাক্ষর জাল করে ২০২২ সালের ৫৭৯৩, ৫৯০৪ ও ৬০২৬ নম্বর দলিলসহ একাধিক নথি সরবরাহ করেন। একইভাবে সাব-রেজিস্টার জাকির হোসেনের স্বাক্ষর জাল করে ৬৮৮৩ থেকে ৬৮৯৩ নম্বর পর্যন্ত অন্তত ১০টি দলিল সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেন বলেও জানা গেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অসীম কুমার নাগ বলেন, “ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিকভাবে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।”
সাবেক সাব-রেজিস্টার জাকির হোসেন বলেন, “কোনো নকল নবীস স্বাক্ষর জাল করে থাকলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
বর্তমান সাব-রেজিস্টার মাসুদ রানা জানান, “অসীম কুমার নাগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। তদন্ত চলছে। তার অপকর্ম প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে সে অফিসে আসছে না। আইন এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!