1. salmankoeas@gmail.com : admin :
স্বস্তির বৃষ্টিতে মাধবপুরের চা বাগান ফিরেছে প্রাণ চা শ্রমিকদের মুখে ফিরেছে হাসি - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
​নীলফামারীতে সাইবার সেলের বিশেষ উদ্যোগ: ২৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে হস্তান্তর মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বসানো হয়েছে আইপি ক্যামেরা রকেট লঞ্চার হাতে ছাত্রলীগ নেতার ছবি ভাইরাল মাঠপর্যায়ে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু, ট্যাব বিতরণ :ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে রাজনৈতিক প্রভাব নেই- এমপি মোশারফ হোসেন লাখাইয়ে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা। কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডিমলার বালাপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন গোলাম রব্বানী প্রধান নন্দীগ্রামে ঘুমহীন প্রহরী, জনতার নিরাপত্তার ভ্যানগার্ড – আব্দুর রউফ রুবেল নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সচালক আটক মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির প্রতিবাদ

স্বস্তির বৃষ্টিতে মাধবপুরের চা বাগান ফিরেছে প্রাণ চা শ্রমিকদের মুখে ফিরেছে হাসি

প্রতিবেদন: মাধবপুর প্রতিনিধি :
  • Update Time : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ৪৬৫ Time View

প্রতিবেদন: মাধবপুর প্রতিনিধি :

দীর্ঘ খরার পরে স্বস্তির বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ চা বাগানগুলো। টানা কয়েক সপ্তাহের অনাবৃষ্টিতে যখন চা গাছে কুঁড়ি আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন শ্রমিকদের মধ্যে নেমে এসেছিল হতাশা ও অনিশ্চয়তা। কিন্তু সাম্প্রতিক মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিতে আবারও সতেজ হয়ে উঠেছে গাছপালা, কুঁড়ি আসা শুরু হয়েছে, আর শ্রমিকদের চোখেমুখে ফিরেছে আশা।

চা শ্রমিক সুনীতা কর্মকার বলেন, “অনেক দিন বৃষ্টি ছিল না। গাছ শুকাইয়া যাইতেছিল, কুঁড়ি উঠত না। আমরা কাম পাইতাম না ঠিকমতো। এখন বৃষ্টি হইছে, গাছ সবুজ হইতেছে, কুঁড়িও আসতেছে। আমরাও কামে ফিরতে পারতেছি।”
তার বারো বছরের মেয়ে মালতীও মাঝে মাঝে মায়ের সঙ্গে কাজ করতে আসে—এটি এখানকার অনেক পরিবারেরই চিত্র।

চা বাগানে শ্রমিকদের জীবন বরাবরই কঠিন। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেও তারা পান মাত্র ১৬০-১৭০ টাকা মজুরি। বাগানের অনেকেই থাকেন জরাজীর্ণ টিনের ঘরে, যেখানে নেই নিরাপদ পানি, শৌচাগার বা বিদ্যুৎ। বর্ষায় ঘরে পানি পড়ে, আর শীতে কাপড়ের অভাবে কষ্টে থাকতে হয়।

বাগান ব্যবস্থাপকরা বলছেন, এই সময়ের বৃষ্টি চা উৎপাদনের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। নিয়মিত বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আবারও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে এর বাইরেও রয়েছে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের দাবি।


সরকারের করণীয়

বাংলাদেশের চা শিল্প জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও, এর মূল চালিকাশক্তি—চা শ্রমিকরা—আজও বঞ্চিত ন্যায্য অধিকার থেকে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে নিচের বিষয়গুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে:

  1. ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি: বর্তমান মজুরি শ্রমিকদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে অক্ষম। একটি সময়োপযোগী ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রণয়ন প্রয়োজন।

  2. স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা: শ্রমিকদের ও তাদের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

  3. বাসস্থান ও পরিকাঠামো উন্নয়ন: নিরাপদ আবাসন, পানীয় জল, বিদ্যুৎ ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

  4. সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা: শ্রমিকদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি, বীমা সুবিধা এবং অবসরের পর পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

  5. শ্রমিক অধিকার ও অংশগ্রহণ: শ্রমিকদের মতামত গ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে একটি ন্যায়সঙ্গত শ্রম-পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!