1. salmankoeas@gmail.com : admin :
ডিমলায় জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ - দৈনিক ক্রাইমসিন
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত ডিমলার ইউএনও মোঃ ইমরানুজ্জামান কাজীপুরের সোনামুখী–গাসাবাড়ী সড়ক বেহাল দশায়: চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে কাজিপুরে ‘কাজিপুর সবুজ পথ’-এর পথচলা শুরু খড়কি গ্রামে সং,ঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল, আ,হত অর্ধশতাধিক পাওনা টাকা নিয়ে সালিশে দুই দিনব্যাপী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় হাঁসফাঁস কাজিপুরবাসী, বৃষ্টির পূর্বাভাসে স্বস্তির আশা কাকে দিয়ে খু’ন করিয়েছিলেন, সব জানি: হাদি হ’ত্যা প্রসঙ্গে বি’স্ফো’রক মন্তব্য মমতার কাজিপুরে সিএনজি ভাড়ার নৈরাজ্য চরমে, অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ ধুনটে যমুনা নদীর ভান্ডারবাড়িতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন লাখাইয়ে দুই ইটভাটাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্থদন্ড

Join 4 other subscribers

ডিমলায় জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ২০৭ Time View

মোঃ বাদশা প্রমানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
ডিমলায় জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা গোকুল চন্দ্র রায় কর্তৃক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতার ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায়।এরপর স্বপ্না আক্তার নতুন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে।

<

গোকুল চন্দ্র রায়ের টাকা আত্মসাৎ এর রেস কাটতে না কাটতেই নতুন কর্মকর্তার ঘুষ বানিজ্যে জড়িয়ে পড়ে। দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হওয়ায় অফিসের কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকির দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয় ভুক্তভোগীদের পক্ষে ডিমলা থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতার ভুগছেন তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী জেলার ডিমলায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে, জাতীয় মহিলা সংস্থার আওতায় তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ডিমলা শাখায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৫ টি ট্রেডে ৮শত জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। তৎকালীন প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতার ৬৮লাখ টাকা কৌশলে উত্তোলন করে পালিয়ে যায়।

<

এরপরে আওয়ামীলীগ সরকারের নীলফামারী -১( ডোমার ডিমলা) আসনের সাংসদ আফতাব উদ্দিন সরকারের হস্তক্ষেপে মোছাঃ স্বপ্না আক্তার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান । দায়িত্ব নেয়ার পর ওই কর্মকর্তা প্রশিক্ষণার্থী সংগ্রহে চলতি অর্থবছরে দরখাস্ত আহবান করেন । জাতীয় মহিলা সংস্থার ডিমলা শাখা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোছাঃ স্বপ্না আক্তার আবেদন কারী প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগের জন্য প্রতিজনের নিকট থেকে উৎকোচ বাবদ ৩/৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করেন।

ঘুষের বিনিময়ে প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে গোটা উপজেলা জুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে । বিষয়টি নিয়ে আবেদনকারীরা আন্দোলনে নামেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানকে অবগত করেন।

<

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া লটারির মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের চুড়ান্ত তালিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। লটারি মাধ্যমে প্রশিক্ষনার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় প্রশিক্ষণের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায় ঘুষ প্রদানকারী অধিকাংশ মহিলার নাম। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে শিক্ষানার্থীদের নামের তালিকা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হলেও আবেদনকারীদের প্রদেয় টাকা ফেরত দেওয়া বা টাকা ফেরত প্রদানের কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

২৫০ জন প্রশিক্ষনার্থীর বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে প্রায় ৫২৭ টি । অভিযোগ রয়েছে,সপ্না আক্তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকার অধিক নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। উপজেলা শাখায় কর্মরত আছেন ৭ জন। এর মধ্যে ৩ জন নারী ও ২ জন পুরুষ প্রশিক্ষক এবং ১ জন অফিস সহকারী ও সপ্না আক্তার নামের স্থানীয় একজন প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা রয়েছেন।

<

এ ব্যাপারে প্রশিক্ষক বেলাল হোসেন জানান,প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সপ্না আক্তার স্যারের বিরুদ্ধে জেলা কর্মকর্তাকে কোন তথ্য জানাইনি। ইউএনও স্যারের মাধ্যমে বিষয়টি জেলা কর্মকর্তা ও ডিসি স্যার জানেন। ইউএনও স্যার নিজেই লটারি করেছেন।

আমাদেরকে অহেতুক সন্দেহ করে সপ্না আক্তার ম্যাডাম তার ভাই বজলার রহমানকে দিয়ে গভীর রাতে মোবাইল ফোনে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। হুকির বিষয়ে ইউএনও স্যারকে অবগতি করে তাহার অনুমতি নিয়ে ডিমলা থানার ওসি স্যারের কাছে অভিযোগ পত্র জমা দিলেও অদ্যবদি তিনি কোন আইনগত ব্যাবস্হা গ্রহন করেনি। আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ ব্যাপারে জাতীয় মহিলা সংস্থা ডিমলা শাখার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোছঃ স্বপ্না আক্তার প্রশিক্ষাণার্থী আগ্রহীদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা গ্রহণ ও প্রশিক্ষকদের প্রাণ নাশের হুমকির বিষয় অস্বীকার করেন । ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফজলে এলাহী জানান,এ বিষয়ে আমাকে কোন অভিযোগ দিয়াছে কিনা আমার মনে পড়ছে না তার পরেও খুঁজে দেখব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, দুর্নীতির অভিযোগের কারণেই তো ডিসি স্যারের নির্দেশে লটারির মাধ্যমে প্রশিক্ষাণার্থী নির্বাচন করে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

নীলফামারী জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,জাতীয় মহিলা সংস্থার ডিমলা উপজেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অর্থিক অনিয়মের বিষয় আমি সহ প্রকল্পের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক মহোদয় জানেন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ইউ,এন,ও সাহেব অনিয়মের বিষয়টি দেখছেন।


Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!

Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading