1. salmankoeas@gmail.com : admin :
স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে : হাইকোর্টের রায়ে বদলালো আইনি ব্যাখ্যা - দৈনিক ক্রাইমসিন
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ছোনগাছায় ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত জেলা সভাপতিকে গণসংবর্ধনা কাজিপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, দিনভর নানা কর্মসূচি কাজিপুরে নতুন ইউএনও শাহনাজ পারভীনের যোগদান বিএনপিকে ধ্বংস করতে এসে সব ফ্যাসিস্ট ব্যর্থ যা বললেন এমপি মোশারফ বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।মাধবপুরে সৈয়দ মোঃফয়সল। নন্দীগ্রামে সেলাই মেশিন ও হুইল চেয়ার দিলেন এমপি মোশারফ মাধবপুরে চোরাই বাঁশসহ মিনি ট্রাক জব্দ মাধবপুরে ৩৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মাধবপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রস্তুতি সভা উপজেলা বিএনপি সভাপতির মামলা প্রত্যাহারের দাবি অপরাধ দমনে সারাদেশে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে : হাইকোর্টের রায়ে বদলালো আইনি ব্যাখ্যা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৬ Time View

ক্রাইমসিন অনলাইন সংবাদ :
মুসলিম আইনে পুরুষের জন্য একাধিক বিয়ে বৈধ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এতদিন দ্বিতীয় বিয়ে ছিল সামাজিক ও আইনি বিতর্কের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল—প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে সম্প্রতি হাইকোর্টের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে সেই ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
মুসলিম পারিবারিক আইন সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতিই হবে আইনসম্মত ভিত্তি। আদালত বলেন, মুসলিম পারিবারিক আইনে কোথাও সরাসরি উল্লেখ নেই যে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ।

আদালতের দেওয়া ২৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত। ফলে স্ত্রীর অনুমতিকে বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে দেখার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

“আইন যে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করেছে, সেটি অনুসরণ করলেই দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ হবে। এর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ আইনসম্মত নয়।”

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালুর মাধ্যমে নারীদের ক্ষেত্রে এ শাস্তি বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। সে অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তারা বলেন, নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অধিকার ও সুরক্ষা -নিশ্চিত করতেই তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

রিটকারীদের মতে,
“স্ত্রীর অনুমতির বিষয়টি তুলে দিলে পারিবারিক নিরাপত্তা ও নারীর অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।”

আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এই রায় শুধু আইনি ক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক বাস্তবতায়ও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। একদিকে এটি মুসলিম পারিবারিক আইনের ব্যাখ্যায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, অন্যদিকে নারী অধিকার ও পারিবারিক ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!