1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মাধবপুরে নিখোঁজ গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর স্বামী গ্রেফতার। - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন? মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শ্রীমঙ্গল থেকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির যাত্রা শুরু পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে মাধবপুরে পার্টনার কংগ্রেস

মাধবপুরে নিখোঁজ গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর স্বামী গ্রেফতার।

ক্রাইমসিন নিউজ ডেক্স :
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ২৮৩ Time View

ক্রাইমসিন নিউজ ডেক্স :
হবিগঞ্জের মাধবপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর কচুরিপানার নিচ থেকে গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের স্বামী মোঃ সোহাগ মিয়া রমজান (২৭) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প ও র‍্যাব-১০, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা এর একটি যৌথ আভিযানিক দল সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন ঝিলমিল ঢাকা পাম্পের সামনে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত সোহাগ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাসেমের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের মোঃ বিল্লাল মিয়ার মেয়ে মোছাঃ মাইশা আক্তার (১৬) এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সোহাগের। পরবর্তীতে প্রেমের টানে সোহাগ কোর্টের মাধ্যমে মাইশাকে বিয়ে করে ঘরে তোলে। তবে বিয়ের পর থেকেই মাইশা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৮ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহাগ মিয়া ফোনে মাইশার বোনকে জানায়, তার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এরপর মাইশার পরিবার আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।

পাঁচ দিন পর, ২২ জুলাই বিকেল ৫টায় স্থানীয়রা সোহাগ মিয়ার বাড়ির পাশের একটি ডোবার কচুরিপানার নিচে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে মাইশার বাবাকে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন, এটি তার মেয়ের মরদেহ। মাইশা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পুলিশ তার মৃত ও আংশিক পচা ভ্রূণ উদ্ধার করে।

পরে নিহতের বাবা বিল্লাল মিয়া মাধবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে স্বামী সোহাগ মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সোহাগকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

আরওপড়ুন ….দেওয়ানগঞ্জে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!