1. salmankoeas@gmail.com : admin :
আমাদের পরিবার - দৈনিক ক্রাইমসিন
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লোডশেডিং ও রেড স্পাইডারের  দ্বৈত আঘাতে চা বাগানে দুর্দশা চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ লাখাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়।  চুনারুঘাটের চা বাগানে এমপি ফয়সলের নেতৃত্বে চলছে উন্নয়ন কাজ মাধবপুরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার বগুড়ায় দৈনিক ভোরের ডাক ৩৫ বর্ষপূর্তির বর্ণাঢ্য উৎসব ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে। মাধবপুরে সাংবাদিক এমএম গউছের শিশুপুত্র নোহানের দাফন সম্পন্ন এমপি ফয়সলকে মন্ত্রী করার দাবিতে মাধবপুরে মানববন্ধন
আমাদের পরিবার

আমাদের পরিবার

MD.Arif Hossen Nandigram Correspondent Id Card :101-2-100013 NID :1016721422778 Blood Group : B+ Contact :01747-01 81 আরো পড়ুন

আমাদের পরিবার

  MD.Ariful Mia Faridpur District Correspondent Id Card :101-2-10009 NID :6002286281 Blood Group : O+ Contact :01938-96 08

আরো পড়ুন

দৈনিক ক্রাইমসিন

দৈনিক ক্রাইমসিন পরিবার

MD.Mehdi Hassan Rajshahi District Correspondent Id Card :101-2-10004 NID :601 027 0509 Blood Group : B+ Contact :01328-99 39

আরো পড়ুন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!