1. salmankoeas@gmail.com : admin :
বিএনপির সমর্থকদের ৪০ বাড়ি ভাঙচুর জামায়াতের, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ - দৈনিক ক্রাইমসিন
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লোডশেডিং ও রেড স্পাইডারের  দ্বৈত আঘাতে চা বাগানে দুর্দশা চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ লাখাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়।  চুনারুঘাটের চা বাগানে এমপি ফয়সলের নেতৃত্বে চলছে উন্নয়ন কাজ মাধবপুরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার বগুড়ায় দৈনিক ভোরের ডাক ৩৫ বর্ষপূর্তির বর্ণাঢ্য উৎসব ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে। মাধবপুরে সাংবাদিক এমএম গউছের শিশুপুত্র নোহানের দাফন সম্পন্ন এমপি ফয়সলকে মন্ত্রী করার দাবিতে মাধবপুরে মানববন্ধন

Join 4 other subscribers

বিএনপির সমর্থকদের ৪০ বাড়ি ভাঙচুর জামায়াতের, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

অনলাইন ডেস্ক:
  • Update Time : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৪ Time View
বিএনপির সমর্থকদের ৪০ বাড়ি ভাঙচুর জামায়াতের, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

অনলাইন ডেস্ক:

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থকদের ৪০টি বাড়িঘরে হামলা, মারধর, শত শত বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ৪টি গবাদি পশু লুট করে নিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার সকালে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের তালতলা কুরবির চর কালাই ভুঁইয়ার কান্দি ও দরবেশ খার কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় মমতাজ বেগম, হাবিবা আক্তার ও নড়িয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন তালতলা দাখিল মাদ্র্রাসা কেন্দ্রে স্থানীয় বিএনপি সমর্থক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে ফারুক হাওলাদার জাল ভোট দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে। একই কেন্দ্রের ভোটার জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক রুবেল কাজী ও সোহেল কাজী বাধা দেয়। এর পর সোহেল কাজী ও রুবেল কাজীকে ব্যাপক মারধর করে বিএনপির সমর্থকরা।

এদিকে রোববার বিএনপি সমর্থক হাফিজ ভুঁইয়ার ছেলে সাব্বির ভুঁইয়া মোটরসাইকেল নিয়ে তালতলা এলাকার মৃধার মোড়ে গেলে জামায়াত সমর্থক নাসির সিকদারের ছেলে নাইম সিকদারের লোকজন তাকে মারধর করে মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

এর পর সোমবার সকালে জামায়াত সমর্থক নাসির সিকদার ও খলিল শেখের নেতৃত্বে শত শত লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বোমা নিয়ে হামলা চালালে বিএনপি সমর্থক মফিজ ভুঁইয়ার ৩টি, হাফিজ ভুঁইয়ার ৩টি, কালাম ভুঁইয়ার ৩টি, প্রবাসী জলিল বেপারী, আব্দুর রাজ্জাক বেপারী, আব্দুর রশিদ বেপারী, শামসুল হক রাড়ী, সুলতান রাড়ী, হালেম রাড়ী, সফু মোল্লা, জব্বর মোল্লা, সাইদুর মোল্লার, জামলা রাড়ীর ঘরসহ প্রায় ৪০টি ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা কালাম ভুঁইয়ার খামার থেকে ৪টি গরু, জলিল বেপারীর স্ত্রীর ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

হাফিজ ভুঁইয়ার মেয়ে রেশমা বেগম বলেন, সোমবার সকালে অতর্কিতভাবে নাসির সিকদার, খলিল শেখ রুবেল কাজী ও সোহেল কাজীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও তাজা বোমা নিয়ে আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা করে। আমার চাচা কালাম ভুঁইয়ার ৪টি গরু লুট করে নিয়ে গেছে। বোমা মেরে আমাদেরকে চরম আতংকে ফেলে দেয়।

আল ইসলাম মোল্লার স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, নাসির সিকদার ও রুবেল কাজীর লোকজন আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা করেছে। উল্টো পুলিশ আমার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে।

রাজনগর ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার হাসিনা বেগম বলেন, নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাড়ীরা মারছে কাজীদের আর কাজীরা মারছে তাদের। এ নিয়ে আজকে উভয় গ্রুপের বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুর করেছে।

এ ব্যাপারে মফিজ ভুঁইয়া বলেন, জামায়াত সমর্থকরা নির্বাচনের মারামারির জেল ধরে আমাদের বাড়ি ঘরে ককটেল ফাটিয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। স্বর্ণালংকার নগদ টাকাসহ আমাদের ৪টি গরু লুট করে নিয়ে যায়।

জলিল বেপারীর স্ত্রী সারিকা বেগম বলেন, আমাদের ঘর ভাঙচুর করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে জামায়াত সমর্থকরা।

এ ব্যাপারে নাছির সিকদার ও সোহেল কাজী গংদের একাধিকবার ফোন দিয়ে ও পাওয়া যায়নি।

নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া বলেন, তালতলা বাজার মৃধাবাড়ী এলাকায় গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট নিয়ে মারামারি । এর জেরে হামলায় অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এক পক্ষ। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছে। আমরা ১০ জনকে আটক করেছি। ২টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেশ কিছু বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

 

আরওপড়ুন….ঈদ উপলক্ষে এমপি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সলের সঙ্গে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ


Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!

Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading