1. salmankoeas@gmail.com : admin :
তিস্তা সেচ প্রকল্প সচল রাখতে সিল্ট ট্র্যাপ খননে ৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মৌলভীবাজারে উজানের ঢলে মনু নদীর তাণ্ডব, বাঁধ ভেঙে দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ খোয়াই নদীর বাঁধ ধসে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা, ড্রেজারকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা নন্দীগ্রামে কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক নিহত লাখাইয়ে আদালতের মাধ্যমে বেদখলীয় ভূমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিলেন ইউএনও। ঝুঁকিপূর্ণ ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাধবপুরে ৭ সমবায় সমিতিতে চারা রোপণ নারী শিক্ষার প্রসারে নতুন নেতৃত্ব: বুল্লা সিংহগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বি মাধবপুরে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার পথে আরেক ধাপ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত ইভটিজিং রোধে কঠোর বার্তা, মাধবপুরে যুবকের ৬ মাসের জেল মাধবপুরে নদীভাঙনের তাণ্ডব, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ঝুঁকিতে জনপদ

তিস্তা সেচ প্রকল্প সচল রাখতে সিল্ট ট্র্যাপ খননে ৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৭ Time View

নীলফামারী প্রতিনিধি:
তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পের পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে নীলফামারীর ডালিয়া অঞ্চলে শুরু হয়েছে সিল্ট ট্র্যাপ খননের বড় কর্মসূচি। সরকারি অর্থায়নে ৪ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ৮২৯ টাকা ব্যয়ে তিস্তার বাইশপুকুর সিল্ট ট্র্যাপ এলাকা থেকে জমে থাকা পলি অপসারণের কাজ বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫ হেক্টর এলাকায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ঘনমিটার পলি অপসারণ করা হবে। চলতি মৌসুমে কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে আগামী ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে খননকাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা ও সেচ ক্যানালে পলি জমা রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক ‘সিক্স সিলিন্ডার’ ড্রেজিং মেশিন। এর মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকরভাবে গভীর তলদেশ থেকে পলি সরানো সম্ভব হচ্ছে, যা কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করছে।
প্রকল্পটি দুইটি প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম প্যাকেজে রংপুরের ইউনাইটেড ব্রাদার্স প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ঘনমিটার এবং দ্বিতীয় প্যাকেজে সিরাজগঞ্জের ঠিকাদার এম. ডি. শামীমুর রহমান প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ঘনমিটার মাটি অপসারণের দায়িত্ব পালন করছেন।
সামনেই বোরো মৌসুম শুরু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের সেচ সুবিধা নির্বিঘ্ন রাখতে জরুরি ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। পলি অপসারণ সম্পন্ন হলে সেচ ক্যানালগুলোর পানিধারণ ক্ষমতা ও প্রবাহ গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
-.ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী -অমিতাভ চৌধুরী বলেন,
“আগামী ১৬ জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করতে ঠিকাদারদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম ও নুরুন্নবী।”
তিনি আরও জানান,
-/“আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সেচ মৌসুমে কৃষকদের কাছে -সময়মতো ও নির্বিঘ্নে পানি পৌঁছে দেওয়া।”
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতাধীন এলাকায় কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!