
আশীষ দাশ গুপ্ত লাখাই প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মে ) সকালে লাখাই ১নং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করা হয়।
লাখাই ১নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল খসরুর সভাপতিত্বে উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাশগুপ্ত ও ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া পরিচালনায়।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট বিভাগ আলহাজ্ব জিকে গউছ বলেন ১৯৮১ সনের ৩০ মে সহিত রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের জানাজা এত বড় হয়েছে যা আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ হয়নি লক্ষ লক্ষ মানুষ অংশ গ্রহণ করে করেছেন। স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্টপ্রতি জিয়াউর দেশে ও জনগণের প্রয়োজনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে, ১৯৭১ সনের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ঘোষনা দিয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ গ্রহণ করে আমাদেরকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন , দেশে যখন নেতৃত্ব শূন্যতা দেখা দিয়েছে তখন ১৯৭৫ সনের ৭ নভেম্বর সিপাহীরা বিপ্লবের মাধ্যমে সহিত জিয়াউর রহমানে কারা মুক্ত করে, পরে দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করে । তিনি আরো বলেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধীদলের ওপর সীমাহীন নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে যথাযথভাবে কর্মসূচি পালন করতে পারেনি দেশের অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এ বছর সেসব কর্মসূচি পালন করছে দলটি।তবে আওয়ামী সরকারের আমলে প্রশাসনের মাধ্যমে বিএনপির সব কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়া হতো। পাশাপাশি চালানো হতো নিপীড়ন,নির্যাতন।কর্মসূচি পালন করতে গেলে নিরীহ নেতাকর্মীদের নামে দেওয়া হতো মিথ্যা মামলা করছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়েছে বামৈ বড় বাজারে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফরিদের সভাপতিত্বে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামসুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বামৈ ইউনিয়ন ভাদিকার বুল্লা ও করাব ইউনিয়ন শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে কোনো বাধা-নিষেধ না থাকায় এ বছর জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
এ বছর এ উপলক্ষে দোয়া মাহফিল পালিত এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, পোস্টার ও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ, কালো পতাকা উত্তোলন, তাবারক খাদ্য বিতরণ।।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লাখাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফরিদ মিয়া, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার আবদাল, লাখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরিফ আহাম্মেদ রুপন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুদ্দিন, ঢাকাস্থ লাখাই উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিঃ সহ-সভাপতি মোঃ শাহাজান মিয়া, বিএনপি নেতা আঃ আউয়াল ভুইয়া, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বুলবুল চৌধুরী, সোলেমান মিয়া, আঃ ওয়াব, শেখ নরুল হক, ছোট্ট মিয়া, উস্তার মোল্লা, আজিজুল হক, লাখাই যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, এলামূল মিয়া, মনির মিয়া, ইউনিয়ন জাসাসের ছোটন মিয়া, সৌদি প্রবাসী লাফু মিয়া, বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ফরিদুল ইসলাম, হাদী চৌধুরী, নেতারা বলছেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাধীনভাবে বিরোধীদলের কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হয়নি। এবছর রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে। তাই গত ১৭ বছর পর এ বছর আরো জোরালোভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।
Subscribe to get the latest posts sent to your email.