1. salmankoeas@gmail.com : admin :
টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
​নীলফামারীতে সাইবার সেলের বিশেষ উদ্যোগ: ২৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে হস্তান্তর মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বসানো হয়েছে আইপি ক্যামেরা রকেট লঞ্চার হাতে ছাত্রলীগ নেতার ছবি ভাইরাল মাঠপর্যায়ে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু, ট্যাব বিতরণ :ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে রাজনৈতিক প্রভাব নেই- এমপি মোশারফ হোসেন লাখাইয়ে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা। কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডিমলার বালাপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন গোলাম রব্বানী প্রধান নন্দীগ্রামে ঘুমহীন প্রহরী, জনতার নিরাপত্তার ভ্যানগার্ড – আব্দুর রউফ রুবেল নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সচালক আটক মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির প্রতিবাদ

টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৬৫ Time View

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নে ভিজিডি (VGD) কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। উপকারভোগী দরিদ্র নারীদের অভিযোগ, নির্ধারিত ৩০ কেজির পরিবর্তে কম ওজনের চাল দেওয়া হচ্ছে এবং সরকারি নিয়ম অমান্য করে ব্যাংকের পরিবর্তে নগদ অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে ভুক্তভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

সরকারি এই কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র নারীদের প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয় এবং ২২০ টাকা সঞ্চয় হিসেবে নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রাজনগর উপজেলায় ১ হাজার ৪৩৫ জন নারী এ সুবিধার আওতায় রয়েছেন এবং ২০২৫ সালের জুলাই থেকে তারা নিয়মিত চাল পাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, টেংরা ইউনিয়নে এই নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। উপকারভোগীদের কাছ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ সংগ্রহ করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি চালের ওজনেও ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

পূর্ব ইলাশপুর গ্রামের রুনা বেগম বলেন, প্রতিবারই চাল কম দেওয়া হয়। আবার টাকা জমা দিয়েই চাল নিতে হয়। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের সঙ্গে এভাবে অন্যায় করা হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্য সজল মালাকার বলেন, উর্ধ্বতনদের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দায়িত্ব পালন করছি।

টেংরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাম দুলালী মুনিয়া বলেন,অনেক উপকারভোগীর পক্ষে ব্যাংক হিসাব খোলা সম্ভব হয়নি। সে কারণে আমরা তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে চাল দিচ্ছি এবং পরে আমাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে সেই টাকা ব্যাংকে জমা দিচ্ছি।

তবে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস। তিনি বলেন,সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী উপকারভোগীদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে ২২০ টাকা জমা দিয়ে রিসিট প্রদর্শনের পরই ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা। এই নির্দেশনার বাইরে কিছু করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন,যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদার বলেন,বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও আশ্বাস দিয়ে বলেন,এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দরিদ্র নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত এই সহায়তা কর্মসূচিতে অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরওপড়ুন…… বিজয়কান্তি সরকার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী নিয়োগে হবিগঞ্জ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!