1. salmankoeas@gmail.com : admin :
নীলফামারীতে বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
​নীলফামারীতে সাইবার সেলের বিশেষ উদ্যোগ: ২৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে হস্তান্তর মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বসানো হয়েছে আইপি ক্যামেরা রকেট লঞ্চার হাতে ছাত্রলীগ নেতার ছবি ভাইরাল মাঠপর্যায়ে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু, ট্যাব বিতরণ :ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে রাজনৈতিক প্রভাব নেই- এমপি মোশারফ হোসেন লাখাইয়ে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা। কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডিমলার বালাপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন গোলাম রব্বানী প্রধান নন্দীগ্রামে ঘুমহীন প্রহরী, জনতার নিরাপত্তার ভ্যানগার্ড – আব্দুর রউফ রুবেল নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সচালক আটক মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির প্রতিবাদ

নীলফামারীতে বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪০৬ Time View

মোঃ বাদশা প্রমানিক, নীলফামারী প্রতিনিধি ::
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান মৌজায় বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। নদীভাঙনের কবলে পড়ে বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও প্রশাসন কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ পর্যন্ত শুধু নাউতারা ইউনিয়নেই প্রায় এক হাজার পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অধিকাংশই কৃষক, যারা জমি হারিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগীরা ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড, উপজেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় পর্যায়ে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়ে নদী খনন, সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও গাইড ওয়াল প্রোটেকশন বাঁধ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভাঙনের মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এদিকে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতায় এলাকার একাধিক স্কুল, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। হাজার হাজার একর কৃষিজমিও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, “পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত করতে হবে।”

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, “সাতজান মৌজার ভাঙন কবলিত এলাকা একাধিকবার পরিদর্শন করেছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য জরুরি কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয়দের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।”

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুজ্জামান বলেন, “নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান মৌজায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অবহিত করেছি।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!