1. salmankoeas@gmail.com : admin :
নীলফামারীতে বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন - দৈনিক ক্রাইমসিন
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আশা’র উদ্যোগে সিলেটে বৃক্ষ রোপন অভিযান মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন? মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম

নীলফামারীতে বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৬২ Time View

মোঃ বাদশা প্রমানিক, নীলফামারী প্রতিনিধি ::
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান মৌজায় বুড়ি তিস্তা ও শাখা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। নদীভাঙনের কবলে পড়ে বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও প্রশাসন কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ পর্যন্ত শুধু নাউতারা ইউনিয়নেই প্রায় এক হাজার পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অধিকাংশই কৃষক, যারা জমি হারিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগীরা ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড, উপজেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় পর্যায়ে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়ে নদী খনন, সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও গাইড ওয়াল প্রোটেকশন বাঁধ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভাঙনের মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এদিকে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতায় এলাকার একাধিক স্কুল, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। হাজার হাজার একর কৃষিজমিও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, “পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত করতে হবে।”

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, “সাতজান মৌজার ভাঙন কবলিত এলাকা একাধিকবার পরিদর্শন করেছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য জরুরি কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয়দের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।”

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুজ্জামান বলেন, “নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান মৌজায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অবহিত করেছি।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!