1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মাধবপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর এবার মসজিদের নারিকেল কেলেঙ্কারি। - দৈনিক ক্রাইমসিন
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শ্রীমঙ্গল থেকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির যাত্রা শুরু পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে মাধবপুরে পার্টনার কংগ্রেস এক ম্যাচে মেসির যত রেকর্ড গাঁজা সেবনে কি ক্ষতি হয় ! জানলে আপনি গাঁজা ছেড়ে দিবেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল: বেতন বৃদ্ধি নাকি সুবিধা হ্রাস? বাল্যবিয়ে রোধে নতুন পদক্ষেপ: ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ক্রাইমসিনে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশের পর যুবদল নেতা শামীম আহমেদ বহিষ্কার রুমিন ফারহানার প্রশ্নে স্থানীয় নির্বাচন ইস্যুতে মুখ খুললেন মন্ত্রী

মাধবপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের পর এবার মসজিদের নারিকেল কেলেঙ্কারি।

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭২৭ Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা::
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা জামে মসজিদের মালিকানাধীন পাঁচটি নারিকেল গাছের প্রায় ৫০টি নারিকেল অনুমতি ছাড়াই নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম তার কয়েকজন লোক নিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে মসজিদের গাছ থেকে নারিকেল কেটে নিয়ে যান। ঘটনাটি স্থানীয় অনেকেই প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা গেছে।
মসজিদ কমিটির সদস্য ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতা জসিম উদ্দিন বলেন, “মসজিদের সম্পদ চুরি করা গুরুতর গুনাহের কাজ।

৪০ থেকে ৫০টি নারিকেল তিনি নিয়ে গেছেন। আমরা আশা করি মসজিদের সভাপতি ইউএনও স্যার বিষয়টি দেখবেন।”

এ বিষয়ে মসজিদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম এবং সাধারণ সম্পাদক এলজিইডি প্রকৌশলী মো. রেজাউন্নবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, শিক্ষা কর্মকর্তা নারিকেল নেওয়ার বিষয়ে কোনো অনুমতি নেননি।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন্নবী বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা অফিসাররা দিনরাত জনগণের জন্য কাজ করি। কিছু নারিকেল নিয়েছি, অভিযোগ থাকলে মূল্য পরিশোধ করব। আমি জানতাম না এটি মসজিদের জায়গা।”
ইউএনও জাহিদ বিন কাশেম বলেন, “বিষয়টি জানলাম। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তার একটি ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর ইউএনও তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই ধারাবাহিক ঘটনায় মাধবপুর পৌরসভা ও উপজেলার সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখের সৃষ্টি হয়েছে।

আরওপড়ুন …কাজীপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!