1. salmankoeas@gmail.com : admin :
স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে : হাইকোর্টের রায়ে বদলালো আইনি ব্যাখ্যা - দৈনিক ক্রাইমসিন
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লাখাই সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন। লাখাই হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন আহত। আশা’র উদ্যোগে সিলেটে বৃক্ষ রোপন অভিযান মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন?

স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে : হাইকোর্টের রায়ে বদলালো আইনি ব্যাখ্যা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪৬ Time View

ক্রাইমসিন অনলাইন সংবাদ :
মুসলিম আইনে পুরুষের জন্য একাধিক বিয়ে বৈধ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এতদিন দ্বিতীয় বিয়ে ছিল সামাজিক ও আইনি বিতর্কের বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল—প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে সম্প্রতি হাইকোর্টের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে সেই ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
মুসলিম পারিবারিক আইন সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতিই হবে আইনসম্মত ভিত্তি। আদালত বলেন, মুসলিম পারিবারিক আইনে কোথাও সরাসরি উল্লেখ নেই যে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ।

আদালতের দেওয়া ২৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত। ফলে স্ত্রীর অনুমতিকে বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে দেখার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

“আইন যে প্রক্রিয়া নির্ধারণ করেছে, সেটি অনুসরণ করলেই দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ হবে। এর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ আইনসম্মত নয়।”

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালুর মাধ্যমে নারীদের ক্ষেত্রে এ শাস্তি বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। সে অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তারা বলেন, নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অধিকার ও সুরক্ষা -নিশ্চিত করতেই তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

রিটকারীদের মতে,
“স্ত্রীর অনুমতির বিষয়টি তুলে দিলে পারিবারিক নিরাপত্তা ও নারীর অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।”

আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এই রায় শুধু আইনি ক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক বাস্তবতায়ও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। একদিকে এটি মুসলিম পারিবারিক আইনের ব্যাখ্যায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, অন্যদিকে নারী অধিকার ও পারিবারিক ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!