1. salmankoeas@gmail.com : admin :
সম্পদ অবমুক্ত না হলে অচলাবস্থা কাটবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ইরান - দৈনিক ক্রাইমসিন
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন? মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শ্রীমঙ্গল থেকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির যাত্রা শুরু

সম্পদ অবমুক্ত না হলে অচলাবস্থা কাটবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ইরান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৪৭ Time View

তেহরানের জব্দ করা ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবমুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগোবে না বলে জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন আবার সামরিক অভিযান শুরু করলে তা ‘অন্ধকার এক করিডোরে’ প্রবেশ করবে বলেও সতর্ক করেছে দেশটি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেন, ‘আলোচনা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে এবং এই অচলাবস্থা ভাঙার দায়িত্ব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। এখন বল ট্রাম্পের কোর্টে।’

খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই ১২ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের প্রস্তাবও দিয়েছে তেহরান।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এই মুহূর্তে অর্থ অবমুক্ত করা হলে ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাপ প্রয়োগের উপায় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি চুক্তি চান, যা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি কঠোর হবে। একই সঙ্গে তিনি এমন কোনো ব্যবস্থার বিরোধিতা করছেন, যা ইরানকে সরাসরি বিপুল অঙ্কের অর্থ হস্তান্তরের মতো মনে হতে পারে।

এদিকে শুক্রবার ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ওমান উপসাগরে অবস্থানরত দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের দিকে ‘সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র’ নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে জাহাজ দুটি এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ’র বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ‘হয়রানি, বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দের’ প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে। সেন্টকমের ভাষ্য, ‘ইরানি বাহিনী মার্কিন যুদ্ধজাহাজে কোনো হামলা চালায়নি বা গুলি ছোড়েনি। এমন ঘটনা ঘটলে তা যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘন হতো।’

তারা আরও জানায়, মার্কিন বাহিনী আঞ্চলিক জলসীমায় স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে আরোপিত অবরোধ কার্যকর রাখছে।

গত ৮ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর এটি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী একটি ঘটনা। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে ব্যাপক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধবিরতির পর বড় ধরনের সংঘর্ষ বন্ধ থাকলেও স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ ও মধ্যস্থতাকারী আলোচাগুলো এখনো সফল হয়নি।

বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে এবং ওয়াশিংটন আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না।

তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবশিষ্ট বিমানবাহিনীর সক্ষমতা ধ্বংস করেছে এবং দেশটির প্রচলিত নৌবাহিনীকেও কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ আরোপ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা অবরোধ গড়ে তোলে। স্বাভাবিক অবস্থায় বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে।

এদিকে একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য পারমাণবিক আলোচনায় ভূমিকা রাখতে পারেন এমন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান হলো, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

পশ্চিমা দেশগুলোর ধারণা, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৯০০ পাউন্ড উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যার কিছু অংশ অতীতে মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া স্থাপনাগুলোতে সংরক্ষিত ছিল। তবে তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার তারা বজায় রাখতে চায়।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!