1. salmankoeas@gmail.com : admin :
ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মহাসমাবেশ ৪ এপ্রিল। জাঁকজমক আয়োজন , - দৈনিক ক্রাইমসিন
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লোডশেডিং ও রেড স্পাইডারের  দ্বৈত আঘাতে চা বাগানে দুর্দশা চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ লাখাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়।  চুনারুঘাটের চা বাগানে এমপি ফয়সলের নেতৃত্বে চলছে উন্নয়ন কাজ মাধবপুরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার বগুড়ায় দৈনিক ভোরের ডাক ৩৫ বর্ষপূর্তির বর্ণাঢ্য উৎসব ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে। মাধবপুরে সাংবাদিক এমএম গউছের শিশুপুত্র নোহানের দাফন সম্পন্ন এমপি ফয়সলকে মন্ত্রী করার দাবিতে মাধবপুরে মানববন্ধন

Join 4 other subscribers

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মহাসমাবেশ ৪ এপ্রিল। জাঁকজমক আয়োজন ,

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬৭ Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মহান মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আগামী ৪ এপ্রিল মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা-বাগান স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে এক বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দিবসটি ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এ বছরের আয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তেলিয়াপাড়ার ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরাই এই সমাবেশের মূল লক্ষ্য। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বৈঠকের স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর দিবসটি উদযাপন করা হয়। এবারের আয়োজনেও সেই ইতিহাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হবে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের সদস্য সচিব হুমায়ুন কবীর জানান, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব, এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আযম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক), জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ,এমপি, হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল, সংসদ সদস্য ডা. শাখাওয়াত হাসান জীবন এবং সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, বিএনপি নেত্রী শাম্মী আক্তার, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল সদস্য নঈম জাহাঙ্গীর, সাদেক আহম্মদ খান এবং হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন হবিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক।

সমাবেশটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে চলবে। কর্মসূচির মধ্যে থাকবে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ, দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং তরুণদের জন্য বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ পর্ব।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে সরকারের মন্ত্রীসহ সম্মানিত অতিথিদের অংশগ্রহণে একটি সফল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, মাধবপুর-চুনারুঘাট এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পারভেজ হোসেন চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেনা কর্মকর্তাদের যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে জেড ফোর্সের অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার সেই ঐতিহাসিক বৈঠক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সমাবেশকে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

তেলিয়াপাড়া এলাকায় ইতোমধ্যে সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে দেখছেন।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক বলেন, এবারের তেলিয়াপাড়া দিবসের সমাবেশ অতীতের সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে যাবে এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরওপড়ুন….. রক্তদান সংগঠন ‘রেড সেল ইন বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় ও প্রবাসী নতুন কমিটি গঠন


Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্থানীয়রা ! ১৯ কিমি সড়কে অগ্রগতি মাত্র ৩২ শতাংশ কায়েস আহমদ সালমান, মাধবপুর : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সাসেক (SASEC) ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ অংশে কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। প্রায় ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন ১৯ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩২ শতাংশ। অথচ এ সময়ে কাজের অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল প্রায় ৭৬ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আল-আমীন ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিডিএল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ফ্লাইওভার ও ডিজাইন সংক্রান্ত সমস্যা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। প্রকল্পের আওতায় এই অংশে ২৬টি কালভার্ট ও ৭টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু মেঘনা নদী, সিলেট ও জাফলং এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং মাটি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় উৎস থেকে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে উত্তোলিত নিম্নমানের বালুও ফিলিং কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা যায়, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার ইমাম নাজুমুন সালেহীন বলেন, “বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কালভার্ট ও সেতুর কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু সঠিকভাবে তদারকির চেষ্টা করছি। তারপরও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই প্রকল্পের অন্য অংশের তুলনায় আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বেশি কাজ হয়েছে। আশা করছি অন্য এলাকার তুলনায় এখানে আগে কাজ শেষ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া সম্ভব হবে না।” উল্লেখ্য, প্রায় ২০৯ থেকে ২১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) এর বাস্তবায়নে বিদ্যমান দুই লেনের মহাসড়ককে ৪টি মূল লেন ও ২টি সার্ভিস লেনসহ আধুনিক মহাসড়কে উন্নীত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!

Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading