1. salmankoeas@gmail.com : admin :
প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু দৈনিক ক্রাইমসিন-এ সংবাদ প্রকাশের পরেই নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ - দৈনিক ক্রাইমসিন
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
টয়লেটের ঢাকনা খোলা রাখা নিয়ে বাকবিতণ্ডা: নীলফামারীতে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সাংবাদিক মঈনউদ্দীন গউছ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটিতে সেলিম রেজা এমপি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারকে ডোমার-ডিমলাবাসীর অভিনন্দন মাধবপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চার দোকান পুড়ে ছাই ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা নন্দীগ্রামে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযান: ১০৪ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার মাধবপুর ভূমি অফিসে ১৮ পদের ৯ টিই শূন্য , জনবল সংকটে ব্যাহত ভূমিসেবা দাউদকান্দিতে দুই মাসে ২৮৬ গ্রেফতার, বিপুল মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ডিমলায় খাবার খাওয়ার পরই ৪টি গরুর রহস্যজনক মৃত্যু, দিশেহারা খামারি তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মাদকের বিস্তার, হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু দৈনিক ক্রাইমসিন-এ সংবাদ প্রকাশের পরেই নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৮০২ Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
দৈনিক ক্রাইমসিন অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি নজরে আসার পর দুদকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।

২০২৫ সালের ৯ জুলাই দুদকের উপ-পরিচালক মীর্জা জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা হয় সহকারী পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলামকে। চিঠির স্মারক নম্বর—২৭৯/১(৭)।

জানা গেছে, ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে আমিনুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক কর্মকাণ্ড এককভাবে পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এমনকি বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের তথ্য অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানতে পারেন না। হাজিরা খাতা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন, অথচ ১২ বছরে একদিনও সি.এল (ঐচ্ছিক ছুটি) দেখানো হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র ও বোর্ড রেজিস্ট্রেশনের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, কোচিং বানিজ্য, নিজের পছন্দের নিম্নমানের বই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে চালু করা এবং প্রকাশক থেকে অর্থ গ্রহণসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে অনৈতিক আচরণের অভিযোগও ঘুরছে। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রীদের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি অশালীন ও সন্দেহজনক।

প্রতিষ্ঠানের ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মচারী এসব দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি এখন সর্বমহলে আলোচিত। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!