1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মাধবপুরে নিয়ন্ত্রণহীন ক্লিনিক বাণিজ্য! অতিরিক্ত বিল আদায়ে ক্লিনিকগুলোর দৌরাত্ম্য, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
লাখাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান  তিন জন আটক ২০ কেজি গাঁজা সহ বিজ ধর্মঘর-০২ শাখার শুভ উদ্বোধন মাধবপুরে নতুন পথচলায় ‘বিজ’—সেবার পরিধি বাড়াতে ধর্মঘর-০২ শাখার যাত্রা শুরু কাজিপুরে সোনামুখী পাইলট কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সংঘাতের অবসান, সম্প্রীতির অক্ষুণ শান্তিপূর্ণ সমাধানের স্বীকৃতিস্বরূপ লাখাই থানার ওসিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনপত্র। কাজিপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড ডন-সামিরার অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে বিতর্ক,  সামনে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য এমপি এসএম ফয়সলকে মৃত দেখিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, চুনারুঘাট থানায় জিডি গ্রামের স্কুলে তাক লাগানো ফলাফল, জিসিজি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার ৫৯.৪৬ শতাংশ লাখাইয়ে গাছ চাষের অপরাধে এক ব্যক্তি গ্রেফতার।। তেলিয়াপাড়া সীমান্তে ‘অঘোষিত রাজা’ সঞ্জয় পান্ডে! মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ, কোটি টাকার বাড়ি ও বিলাসবহুল মোটরসাইকেল ঘিরে প্রশ্ন

মাধবপুরে নিয়ন্ত্রণহীন ক্লিনিক বাণিজ্য! অতিরিক্ত বিল আদায়ে ক্লিনিকগুলোর দৌরাত্ম্য, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২৮ Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ আবারও সামনে এসেছে। মাত্র ৭৫ টাকার একটি ইনজেকশন প্রয়োগে রোগীর কাছ থেকে ২৫০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে ১২০০ টাকায় তা প্রয়োগ করা হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়, ‘টোরালাক্স (কিটোরোলাক ট্রোমেথামিন)’ নামের একটি ইনজেকশন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬০ থেকে ৭৫ টাকা। এটি নন-স্টেরয়ডাল এন্টি-ইনফ্লামেটরি শ্রেণীর শক্তিশালী ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অথচ এই ইনজেকশন প্রয়োগে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার শিমুলঘর গ্রামের দুবাই প্রবাসী মোঃ আফছার চৌধুরী তার স্ত্রী জাহেরা বেগমকে চিকিৎসার জন্য মাধবপুর তিতাস-২ (নিউ তিতাস) ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাঃ ওয়াসিম রোগী দেখার পর ব্যবস্থাপত্রে ইনজেকশনের নাম উল্লেখ না থাকলেও ব্যথা উপশমে টোরালাক্স ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন।

ইনজেকশন প্রয়োগে খরচ জানতে চাইলে প্রথমে ২৫০০ টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে ১৫০০ টাকায় নামানো হলে রোগীর স্বজনরা রাজি হন। তবে ক্লিনিকের ফার্মেসিতে ইনজেকশন না থাকায় বাইরে থেকে কিনতে গিয়ে তারা জানতে পারেন এর প্রকৃত মূল্য মাত্র ৭৫ টাকা। এ বিষয়ে পুনরায় চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ইনজেকশনের দাম নয়, কেবল প্রয়োগের জন্যই এই অর্থ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাধবপুরের কিছু প্রাইভেট ক্লিনিক দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত বিল আদায় করে আসছে। ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইমরুল হাসান বলেন, অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ছাড়া অন্য কেউ ইন্ট্রা-আর্টিকুলার ইনজেকশন দেওয়ার আইনগত অনুমতি নেই। চিকিৎসক ভেদে এ ধরনের ইনজেকশন প্রয়োগে ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম রোধে খুব শিগগিরই মনিটরিং অভিযান চালানো হবে।

হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বলেন, মাধবপুর উপজেলার প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবা কার্যক্রম পর্যালোচনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাধারণ মানুষের দাবি, স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু কিছু অসাধু চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিকের কারণে তা এখন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের প্রতারণা অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আরওপড়ুন….. ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় ভোগান্তির সড়ক, মন্ত্রী এলে তবেই মেরামত!

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!