1. salmankoeas@gmail.com : admin :
জলঢাকার গুরমুন্ডা ইউনিয়নের ঘাটের পাড়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের বারনীর মেলা অনুষ্ঠিত - দৈনিক ক্রাইমসিন
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরে ২০তম রোভার অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্পের উদ্বোধন মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, কালনী ট্রেন অবরোধ মাধবপুরে জুলাই শহীদ শামীম মিয়ার নামে সড়ক নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি মাধবপুরে নিখোঁজ সাকিবকে ঘিরে উত্তেজনা, প্রতিপক্ষের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ লাখাই সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন। লাখাই হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন আহত। আশা’র উদ্যোগে সিলেটে বৃক্ষ রোপন অভিযান মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী

জলঢাকার গুরমুন্ডা ইউনিয়নের ঘাটের পাড়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের বারনীর মেলা অনুষ্ঠিত

মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫
  • ২৫৮ Time View

মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেল গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ঘাটের পাড়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের বারনীর মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭শে মার্চ) সকাল থেকে দিনব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় আচার বারনির মেলা(পিণ্ডদান) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শতাধিক ধর্মপ্রাণ সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের পূর্বপুরুষেরদেখানো আত্মার শান্তি কামনায় নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এ উপলক্ষে আশে-পাশে দোকানের সমাগম ঘটে।

সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয়, পূর্বপুরুষদের আত্মার সদগতি এবং প্রেতযোনি থেকে মুক্তির জন্য পিণ্ডদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সাধারণত পিতৃপক্ষ (ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষ) সময়ে অথবা মৃত্যুবার্ষিকীতে করা হয়। গয়া ও কাশীতে পিণ্ডদানকে সর্বোচ্চ পবিত্র হিসেবে ধরা হয়, যা মহাভারতেও উল্লেখ রয়েছে।

এসময় হরি চক্রবর্তী নামে একজন পুরোহিত বলেন, ” পিণ্ডদান শুধু আধ্যাত্মিক চর্চা নয়, এটি পারিবারিক ঐতিহ্যও বহন করে। পূর্বপুরুষদের স্মরণে এই আচার সম্পন্ন করলে পরিবারের কল্যাণ হয় এবং পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ করা যায়।”

আরওপড়ুন ….ফুলবাড়ীতে পত্রিকা বিক্রেতাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

সময়ের পরিবর্তনে পিণ্ডদানের আচারেও কিছুটা আধুনিকতা এসেছে। বর্তমানে অনেকেই অনলাইনে পূজা বুকিং করে ভার্চুয়ালভাবে পিণ্ডদান করাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের সেবা দিচ্ছে, যেখানে পরিবারের অনুপস্থিতিতেও পুরোহিতরা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত এই ধর্মীয় আচার আজও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও পিণ্ডদানের মূল দর্শন এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে—পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাঁদের আত্মার চিরশান্তি কামনা আচার-অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!