
মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
ঢাকায় নিজ কক্ষে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে হত্যার পর মরদেহ কার্টনে ভরে গ্রামের বাড়িতে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিহত কিশোরকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি ও ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার উদয়পুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ মামুনের বাড়ি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই বালাপাড়া এলাকায়। ধানমন্ডির শুক্রাবাদে পরিচয়ের সূত্রে রাকিব ও মামুনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
নিহতের পরিবার জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি কক্ষে বিরোধের জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ কার্টনে ভরে কৌশলে রংপুরের বাসে তুলে নীলফামারীর ডিমলায় নিজ বাড়ির দক্ষিণ পাশে মাটিচাপা দেন মামুন। হত্যার পর রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভুয়া ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়।
পরিবারের জিডির ভিত্তিতে গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে মামুনকে গ্রেপ্তার করে কাফরুল থানা পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ অক্টোবর দুপুরে ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া এলাকা থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত মামুনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো তথ্য সঠিক নয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সন্দেহভাজনদের ভূমিকা ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আরওপড়ুন….. ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণে মাধবপুরে বাংলা কিউআর বাস্তবায়নে র্যালি ও আলোচনা সভা