
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : তানসেন আলী মন্টু
বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারি এই হাসপাতালে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা আরও একধাপ এগিয়ে গেল। অবকাঠামো উন্নয়নকল্পে মাটির ধারণক্ষমতা ও গুণগত মান পরীক্ষা (সোয়েল টেস্ট) করছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী।
গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন এমপি। এরআগে বৃহস্পতিবার উপজেলার বিজরুল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। মাটির ধারণক্ষমতা ও গুণগত মান পরীক্ষা করেন ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবায়ন প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের প্রচেষ্টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ করা হচ্ছে। কাহালু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকেও ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই হাসপাতালে প্রয়োজন অনুযায়ী এখনো জনবল সংকট।
নাজমুল হাসান, এমদাদুল হক, রাসেল মাহমুদসহ নাগরিকরা জানান, ১০১ শয্যার ভবন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে। চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল বাড়াতে হবে। অনেক রোগী হাসপাতালে এসে শয্যা না পেয়ে মেঝেতে বা অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকেন। শয্যা সংখ্যা বাড়লে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। রোগীরা মেঝের পরিবর্তে বিছানায় থাকার সুযোগ পাবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হাসপাতালের শয্যা ও চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো। ১০১ শয্যার হাসপাতাল হলে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। সময় ও অর্থ দুটিই সাশ্রয় হবে। প্রসূতি, শিশু স্বাস্থ্য, মেডিসিন, সার্জারি, জরুরি চিকিৎসাসহ বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং ইনডোর চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করা গেলে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত হবে।
আরওপড়ুন…… মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিভিল সার্জন, নিলেন সেবার খোঁজখবর