1. salmankoeas@gmail.com : admin :
প্রচন্ড তাপদাহে পুড়ছে উত্তর অঞ্চলের জনজীবন - দৈনিক ক্রাইমসিন
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আশা’র উদ্যোগে সিলেটে বৃক্ষ রোপন অভিযান মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন? মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম

প্রচন্ড তাপদাহে পুড়ছে উত্তর অঞ্চলের জনজীবন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
  • ৬৪৯ Time View

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল রংপুর বিভাগের আট জেলায় বয়ে যাচ্ছে প্রচন্ড তাপপ্রবাহ। এই তাপপ্রবাহে দেশের উত্তর অঞ্চলের মানুষ ও প্রানীকুলের হাসফাস অবস্থা।ঈদুল আযহা থেকে অদ্যবধি এ অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রী সেলসিয়াসের ঘরে অবস্থান করছে।

নীলফামারী ডিমলা উপজেলার আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ও আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যথাক্রমে ৩৮.৫ ডিগ্রি, ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে চলছে কাঠফাটা রোদের দাপট। আকাশে মিলছে না মেঘের দেখা। নেই কোন বৃষ্টির সম্ভাবনা। তীব্র গরমে প্রানীকুল হাঁপিয়ে উঠেছে।

তিস্তা বিধৌত ডিমলার ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। তারমধ্যে পুর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন চর বেষ্টিত। ফলে এসব এলাকায় প্রচন্ড তাপ বয়ে যাচ্ছে। চরের জমিতে হাটতে গেলে বালুতে পা পুড়ে ফসকা উঠছে।এর ফলে এসব এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়েছে।

পুর্বছাতনাই,ইউনিয়নের নিজাম উদ্দিন বলেন, এরকম রোদৌত হামরা জীবনি দেখি নাই। রোদে বেড়ালে গাও পোড়া বাহে।রোদের তাপে হামরা কাজকাম একটাও করিবার পারছি না।

গয়াবাড়ী ইউপির মাহাবুব হোসেন বলেন, সকালবেলা রোদের তাপ কম থাকায় একটু কাজ কাম করা যায়। সূর্য যখন ঠিক মাথার উপর আসে দলার পানিও গরম হয়ে ওঠে, গরম পানিতে কোন প্রকার কাজ কাম করা যায় না। একটু ঠান্ডার আশায় গাছের ছায়ায় অলসের মতো বসে থাকতে হয়।

তিস্তা বিধৌত টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চর খরিবাড়ি এলাকার জিয়াউর রহমান জিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান,এরকম রোদ আর গরম জীবনে দেখি নাই।বেলা ১১টা হলে চর এলাকার বালু ও মাটি এত গরম হয় খালি হাটা যায় না। মানুষ, পশু ও প্রাণী সবাইরে অবস্থা কাহিল হয়ে যায়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!