
এনামুল হক আলম মৌলভীবাজার জেলা
প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৬নং একাটুনা ইউনিয়ন এর বানগাঁও গ্রামের প্রবাসী পরিবারের পক্ষে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ এপ্রিল রবিবার দুপুরে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবারের পক্ষে মো: গিলমান মিয়া লিখিত বক্তব্য জানান- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার- মৌজা : বানগাঁও, জে এল নং- ৯৫, এসএ খতিয়ান নং-৭৮, এস এ দাগ নং- ১০০/১১৭, আর,এস খতিয়ান নং- ১৪২/৭১/১৪০, আরএস দাগ নং- ৯০ দাগে ৫০ শতক (বাড়ি) উল্লেখ্য এই দাগে তাদের পিতা ও দুই চাচা বসবাস করতেন আজ থেকে ৫০ বছর আগে আব্দুল বাড়ি আব্দুল জব্বার ও মোঃ সুরুজ। আব্দুল বাড়ি ও আব্দুল জব্বার পরিবার বড় হওয়ায় তারা তাদের মালিকানা অংশ সুরুজ মিয়ার কাছে বিক্রি করে অন্য জায়গায় বসত-বাড়ি করে চলে যান। তাদের বড় বোন খোদেজা ভানু এর কাছে সুরুজ মিয়া টাকা দেন। আর ঐ দুই ভাই-বোন এর কাছ থেকে টাকা নিয়া অন্যতায় জায়গা কিনেন। পরে তিনি লন্ডনে চলে যান। লন্ডন থেকে ফিরে এসে উক্ত জায়গা রেজিস্ট্রেশন করে দেবেন বলে অঙ্গীকার করেন। পর্বতীতে আব্দুল বারি উনার অংশ রেজি: করে দেন সুরুজ মিয়াকে আর উল্লেখ করেছেন উনার ছোট ভাই ও টাকা নিয়েছে বলে দলিল করে দেয় নাই। পরবর্তীতে আব্দুল আজিজ এওর পিতা আব্দুল জব্বার লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। এমতাবস্থায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ বছর অতিবাহিত হয়। সুরুজ মিয়া ও তাদের বোন ও মৃত্যু বরণ করেন। উক্ত ক্রয়কৃত ভূমিতে মুহিদ মিয়া ও তার ছেলে-মেয়েরা বাড়ী-ঘর ও বাউন্ডারী তৈরি করেন। বিগত কয়েকবছর যাবৎ আব্দুল আজিজ লন্ডন থেকে বাংলাদেশে এসে একটি ষড়যন্ত্রকারী মহলের কুঠিল ইন্ধনে শুরু করেন নতুন ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে একাধিক মিথ্যা মামলা-হামলা করে হয়রানী শুরু করেন। বিজ্ঞ আদালতে মামলা দিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করে। আজিজের বোন সফিনা খানম-কে দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে বিগত-২০২৪ইং মামলা দায়ের করে। এরপরও তার ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেমে থাকে নি। আমার বোনের ছেলেদের উপর থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ উক্ত বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে এর সত্যতা পায় নি। এর পর আব্দুল আজিজ ক্ষিপ্ত ও আরো প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে ভুয়া স্বাক্ষী তৈরি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার স্বাক্ষীদ্বয় উক্ত মামলার বিষয়ে অবগত নয় বলে লিখিত অঙ্গীকার নামা প্রদান করেন। আব্দুল আজিজ একজন মাদকসেবী। নেশাগ্রস্থ জীবন। সে সর্বশেষ গত ১২ এপ্রিল- মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে কাল্পনিক ও মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাদের সম্মান হানি করার জন্য সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি আরো বলেন- শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের বসতবাড়িতে বসবাস করতেছি। নিয়ম অনুসারে খাজনা, বিল পরিশোধ করে আসছি। এই বাড়িতে আব্দুল আজিজ কখনো বসবাস করে নাই। সে ছোট কালে তাদের নতুন বাড়ি থেকে সব লন্ডনে চলে যায়। সে এতটাই জঘন্য যে, আমার বাবা তার আপন চাচা। অথচ, সে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছে- তার দুঃসম্পর্কের চাচা। বিজ্ঞ আদালতে ১৪৪ জারি আছে, কিন্তু আদালতে এ বিষয়ে আরো তিনটা মামলা চলমান রয়েছে তা সে উল্লেখ করে নাই। সে বিজ্ঞ আদালতে মামলা থাকা সত্তেও বিগত-২০২৪ইং বাড়িতে ডুকে ভাংচুর, লুঠপাট ও তান্ডব চালায়। বসতবাড়ির গেইট কেটে দেয়। আমাদের বাড়ির কেয়ারটেকারকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। সে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করে নাই- (মামলা নং- ২২০/২৩ সদর ২৭৬/২৪ সদর ৯৬/২৪ সদর ১৪৪ ধারা ৮৯/২০২৫ সদর আর এস ৭৩ নং দাগে ০৫+০৬ = ১১ শতক এর এই জায়গা ৬ শতক মুহিদ মিয়া মালিক। আর ৫ শতক খায়রুন নেছা খানম মালিক। কাওছার মিয়া গিলমান মিয়া আফতার মিয়া ও জাবের মিয়া উক্ত দাগের ভূমিতে অনেক বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। আজিজ এখানে ও মালিকানা দাবি করছে। তার বিরুদ্ধে থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য একাধিক জিডি করা হয়েছে। আব্দুল বাড়ি উনার জাগা নিজে দলিল করে আমাদের নামে দিয়ে গেছেন ঐ দলিলে উনি নিজে ছোট ভাই আব্দুল জব্বার যে টাকা নিয়েছেন উল্লেক করে গেছেন। আব্দুল বারির দুই ছেলে বাংলাদেশ হাইকমিশনে লন্ডনে গিয়ে হলফ নামা করে বলেছেন উনাদের চাচা টাকা নিয়েছেন এর চাইতে আর কি প্রমান লাগবে। এসব কিছু উনি লুকিয়ে রেখে মিথ্যা বানুয়াট অভিযোগ করেছেন। আব্দুল আজিজ এর মিথ্যা মামলা-হামলার ভয়ে দীর্ঘবছর যাবৎ বাংলাদেশে আসতে পারছেন না তার অপর প্রবাসী ভাই,ভাতিজাসহ তাদের পরিবারের লোকজন। তিনি মামলাবাজ আব্দুল আজিজ এর দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মো: আফতার মিয়া, লুৎফুর বেগ,স্বপন আহমদ, সোহান আহমদ ও সাইদুল আহমদ প্রমুখ।
Subscribe to get the latest posts sent to your email.