
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সোনাই নদী থেকে ইজারাবিহীন সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১ টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অবস্থানকালে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান সংবাদ পান যে, মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনস্থ রাবার ড্রাম এলাকার দক্ষিণ পাশে ১নং সরকারী খাস খতিয়ানের ইজারা বহির্ভূত সোনাই নদী থেকে কিছু লোক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।
সংবাদ পাওয়ার পর তিনি অফিস সহায়ক ইব্রাহীম আহাম্মদ গুলিটন ও শরীফ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান ১৪-২০ জন লোক নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা যায়। তারা হলো: মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া (৪৫), পিতা-মৃত ইদ্রিছ আলী মেম্বার, সাং-কমলানগর, মোঃ সোহেল মিয়া (৪৮), পিতা-মোঃ আশু মিয়া, সাং-মঙ্গলপুর, মোঃ শুভ মিয়া (২৫), পিতা-মোঃ মাতু মিয়া, মোঃ মাজহারুল ইসলাম (২৫), পিতা-মোঃ আসাব উদ্দিন, উভয় সাং-কমলানগর, মোঃ শাকিল মিয়া (৩৩), পিতা-মৃত ছাদেক মিয়া, সাং-সুলতানপুর, মোঃ রনি মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ তিতন মিয়া, সাং-কালীকাপুর, মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে ইজারাবিহীন সরকারি নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে।
এ ঘটনায় মোঃ মজিবুর রহমান, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষে ২০১০ সালের বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পলাতক আসামীরা নিয়মিতভাবে সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করছে।
এ বিষয়ে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: মুজিবুল ইসলাম বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন শুন্য করতে প্রশাসন বদ্ধ পরিকর।
আরওপড়ুন….নন্দীগ্রামে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন
Subscribe to get the latest posts sent to your email.