
নিজস্ব প্রতিবেদক :
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ৭ নং জগদীশপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম করার জন্য একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা ও বানোয়াট প্রত্যয়ন পত্র ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি দৈনিক হবিগঞ্জের আয়না ও দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি পত্রিকায় প্রকাশিত ওই সংবাদের বিষয়ে জগদীশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আরজু মিয়া বলেন—
“বিগত ১৬ বছরে আমি অসংখ্য জেল-জুলুম, অন্যায়-অত্যাচারের শিকার হয়েছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার একের পর এক মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা দিয়ে আমাকে নির্যাতন করেছে। এমনকি তিনটি বড় অপারেশনের পর বাড়ি ফেরার পরও আমাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এখন আবার নতুন করে চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির প্যাডে আমার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়া একইভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে, জেল-জুলুম দিয়েছে। এখন আবার আমার স্বাক্ষর জাল করে মিথ্যা প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং পত্রিকার সম্পাদকের প্রতি অনুরোধ করছি—আপনারা সত্যতা যাচাই করে তারপর সংবাদ প্রকাশ করুন।”

ভুয়া প্রত্যয়ন পত্র
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জগদীশপুর ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। দলের সভাপতি মো. আরজু মিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়। এ সময় তিনি দীর্ঘদিন কারাভোগ করেছেন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়াও অতীতে একাধিক রাজনৈতিক মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, বর্তমান ঘটনাটি সেই ধারাবাহিক রাজনৈতিক নিপীড়নেরই নতুন রূপ, যার মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে।
ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য ও বাস্তবতা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরওপড়ুন …সাংবাদিক তুহিন হত্যা প্রতিবাদে ও সাংবাদিক নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.