1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মৌলভীবাজারে উজানের ঢলে মনু নদীর তাণ্ডব, বাঁধ ভেঙে দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
​নীলফামারীতে সাইবার সেলের বিশেষ উদ্যোগ: ২৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার করে মালিকের হাতে হস্তান্তর মাধবপুরে ১১৯ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বসানো হয়েছে আইপি ক্যামেরা রকেট লঞ্চার হাতে ছাত্রলীগ নেতার ছবি ভাইরাল মাঠপর্যায়ে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু, ট্যাব বিতরণ :ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে রাজনৈতিক প্রভাব নেই- এমপি মোশারফ হোসেন লাখাইয়ে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা। কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডিমলার বালাপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন গোলাম রব্বানী প্রধান নন্দীগ্রামে ঘুমহীন প্রহরী, জনতার নিরাপত্তার ভ্যানগার্ড – আব্দুর রউফ রুবেল নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সচালক আটক মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির প্রতিবাদ

মৌলভীবাজারে উজানের ঢলে মনু নদীর তাণ্ডব, বাঁধ ভেঙে দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ২১০ Time View
মৌলভীবাজারে উজানের ঢলে মনু নদীর তাণ্ডব, বাঁধ ভেঙে দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ :ছবি সংগৃহীত

জেলা প্রতিনিধি :
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণের কারণে মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার মনু নদীর পানি বিপদসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল ৫টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মনু নদীর পানি এখনও বিপদসীমার অনেক ওপরে রয়েছে। যদিও ধলই ও কুশিয়ারা নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে, তবুও উজানের অব্যাহত ঢলের কারণে মনু নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে রাজনগর উপজেলার টেংরাবাজার ইউনিয়নের উজিরপুর এলাকায় মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে অন্তত ১০ থেকে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেক পরিবার গভীর রাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

প্লাবিত এলাকাগুলোর বসতবাড়ি, রান্নাঘর, মাছের ঘের, কৃষিজমি এবং গ্রামীণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল বাঁধ দিয়ে আকস্মিকভাবে পানি প্রবেশ করায় শ্রীপুর, গোলের হাওর, ভান্ডারীগাঁওসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। টানা দুই দিনের বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কাঁচা সড়ক এবং ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। অনেক পরিবার গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আরওপড়ুন…… ঝুঁকিপূর্ণ ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!