
আজ ২৬শে মার্চ-মহান স্বাধীনতা দিবস,সারাদেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।
বিশেষ প্রতিনিধি- জাহারুল ইসলাম জীবন।
আজ ২৬শে মার্চ, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। এই দিনটি আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পরিচিত। ১৯৭১ সালের এই দিনে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে্ স্বাধীনতা দিবসের পটভূমিঃ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়, যার পূর্ব অংশ ছিল আজকের বাংলাদেশ।
ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন আমলের পরে থেকেই শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ।
যাহার পরিপ্রেক্ষিতে এই পূর্ববাংলাতে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, এবং ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণসহ বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার অর্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা।
বাঙালি জাতিকে দমন নিপীড়ন নির্যাতন এবং মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ বাঙালিদের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালায় এই নৃশংস গণহত্যার পর ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসক্রস ময়দানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
এরপর শুরু হয় দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যা ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা দিবসের পটভূমিতে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে এক উদীয়মান অর্থনীতির দেশ।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তবে, এখনও দারিদ্র্য, দুর্নীতি, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
তাই, এই মহান স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রেখে, একটি আধুনিক সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকলকে এক সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের যুব সমাজকে আরো এগিয়ে এসে দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
এই মহান স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ দিনে, বাঙালি জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সেই সকল বীরসেনানি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী সকল শহীদদের, যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই স্বাধীনতা।
স্বাধীন সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশে ২৬শে মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় অধ্যায়। এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যেন স্বনির্ভরতা অর্জন পূর্বক মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যের সকলকে একসঙ্গে কাজ করার মধ্য দিয়ে সাধারণ জনগণ দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির চালিকা শক্তির মূল নেতৃত্বে দেশের রাষ্ট্রীয় অবকাঠামগত পরিচালনার প্রশাসনিক ক্ষমতা যাহা স্বাধীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে জনগণ স্বীকৃত ” রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা” -যাহাদের উপরে নেস্ত হইবে তারা যেন বাংলাদেশকে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার রুপোরেখায় রূপান্তর পূর্বক দেশের স্বনির্ভরতা অর্জন ও স্বাধীনতার প্রকৃত শান্তির সোপান সকলেই সমতার ভিত্তিতে পাই, এই প্রত্যাশায় করে দেশের আপামর সাধারণ জনগণ।
Subscribe to get the latest posts sent to your email.