1. salmankoeas@gmail.com : admin :
মাধবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্র সক্রিয়, ভোগান্তিতে রোগীরা - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাধবপুরে স্কুল ভবনের ছাদ ভেঙে পড়ে আহত দপ্তরী, উদ্বেগ অভিভাবকদের আলোচিত রিসোর্টকাণ্ড: ৫০১ নম্বর কক্ষ নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার হলো বিষধর শঙ্খিনী ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসা জরুরি—ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী? ডিমলায় পাটনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত: আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ ফাউল, হলুদ নাকি লাল কার্ড—মেসির ঘটনাটি কীভাবে দেখে ফুটবল আইন? মাধবপুরের পল্লীতে কয়েক হাজার ফুট আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন চন্ডিছড়া চা বাগানের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শ্রীমঙ্গল থেকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির যাত্রা শুরু

মাধবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্র সক্রিয়, ভোগান্তিতে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাধবপুর হবিগঞ্জ :
  • Update Time : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ৩৯০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাধবপুর হবিগঞ্জ :

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারি হাসপাতালের গেট থেকে শুরু করে ওষুধের দোকান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পর্যন্ত এই দালালরা সক্রিয়ভাবে রোগী শিকারে লিপ্ত। এতে একদিকে যেমন রোগীরা প্রতারিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

দালালদের কর্মকাণ্ড
সরেজমিনে দেখা গেছে, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীকেই দালালরা চিকিৎসার বিলম্ব, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকার অজুহাতে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যেতে প্ররোচিত করে। সেখানে নেওয়ার পর রোগীদের খরচ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ভর্তি করিয়ে অতিরিক্ত বিল আদায় করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব দালাল ক্লিনিক মালিক ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। প্রতিটি রোগী প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়ার বিপরীতে তারা কমিশন পান, যা তাদের এই কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করে।

জনদুর্ভোগ ও প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় এক রোগীর স্বজন জানান, “আমরা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলাম। কিন্তু এক লোক আমাদের বলল এখানে ডাক্তার নেই, প্রাইভেটে নিলে দ্রুত হবে। পরে বুঝলাম, আমরা প্রতারিত হয়েছি।”

 

এ বিষয়ে উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য ও প‌রিবার প‌রিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ ইমরুল হাসান  জানান, “আমরা দালালদের দমন করতে সচেষ্ট। নিরাপত্তা কর্মীদের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তবে এই বিষয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া  দরকার।”

আরওপড়ুন …স্বস্তির বৃষ্টিতে মাধবপুরের চা বাগান ফিরেছে প্রাণ চা শ্রমিকদের মুখে ফিরেছে হাসি

করণীয় ও সুপারিশ
আইনগত ব্যবস্থা: দালালদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ: রোগী ও স্বজনদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট ও মাইকিং করতে হবে।

হেল্প ডেস্ক চালু: হাসপাতালের গেটেই তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে রোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হবে।

প্রশাসনের নজরদারি: হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পুলিশি টহল ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ জোরদার করা উচিত।

মাধবপুরে সরকারী হাসপাতালের আশপাশে দালাল চক্রের এমন দৌরাত্ম্য শুধু জনসেবা নয়, স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!