
ক্রাইমসিন নিউজ ডেক্স :
মৌলভীবাজার জেলায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের ভিজিট ফি দিনদিন আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে। জেলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে কোনো ডাক্তারই ৬০০ টাকার নিচে রোগী দেখেন না। অনেকেই নিচ্ছেন ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত ভিজিট ফি, অথচ রোগীকে সময় দেন মাত্র ৫ মিনিটেরও কম।
এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, বিশেষ করে চা শ্রমিক ও হাওর এলাকার দরিদ্র বাসিন্দারা। তারা চিকিৎসা ব্যয় সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
রোগীদের অভিযোগ—একবার ভিজিট দেওয়ার পর রিপোর্ট দেখাতেও আবার সমপরিমাণ টাকা দিতে হয়। শুধু তাই নয়, অনেক ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে এমন ওষুধ লেখেন যা কিনতে হয় তাদের নিজস্ব বা পরিচিত ফার্মেসি থেকে। এতে রোগীরা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জেলার অধিকাংশ সিনিয়র ডাক্তার প্রতিদিন ৪০–৫০ জন রোগী দেখে থাকেন। এভাবে দিনে লাখ টাকার কাছাকাছি আয় করলেও চিকিৎসা সেবার মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন জানান, কনসালটেন্ট পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা এবং প্রফেসর পর্যায়ে ৬০০ টাকা ভিজিট ফি নেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও সরকারি কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা বা আইন না থাকায় ডাক্তাররা খুশিমতো ফি নিচ্ছেন।
সাধারণ মানুষের দাবি—চিকিৎসা খাতের এ বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবং ভিজিট ফি নিয়ন্ত্রণে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
আরওপড়ুন…মাধবপুরে প্রতারণার শিকার গৃহবধূ: স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে লড়ছেন সোলাইমা
Subscribe to get the latest posts sent to your email.