1. salmankoeas@gmail.com : admin :
১৩ বছরেও স্বামীর সোহাগ পাননি সমিতা, তবুও ফিরতে চান স্বামীর সংসারে - দৈনিক ক্রাইমসিন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
হবিগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টন কল্যান ফ্রন্ট অভিনন্দন। নিপুণ রায় চৌধুরী ও ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা নির্বাচিত হওয়ায় লৌহজংয়ে ধ’র্ষকের ফাঁ’সির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ তেল নিতে লাইনে দাঁড়ানো মোটরসাইকেল আরোহীকে ইউএনওর থাপ্পড় মধুখালীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় পুলিশ: ওসি সুকদেব রায় নাছিরনগরের তরুণ ক্রিকেটার শাহাদাতের সাফল্যে উজ্জ্বল গুনিয়াউক গ্রাম ঢাকাস্থ লাখাই সাংবাদিক ফোরামের সঙ্গে ঢাকাস্থ লাখাই উপজেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের শুভেচ্ছা বিনিময় লাখাইয়ে ইয়াবা  সহ এক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ।। আসল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে ।। ফান্দাউক দরবারকে নিয়ে অপপ্রচার: মাধবপুর থানায় সাংবাদিক এম এ কাদেরের জিডি নন্দীগ্রামে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নন্দীগ্রামে বেড়া দিয়ে স্কুলের প্রবেশ পথ বন্ধ করায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা

Join 4 other subscribers

১৩ বছরেও স্বামীর সোহাগ পাননি সমিতা, তবুও ফিরতে চান স্বামীর সংসারে

মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৫২ Time View

েোমোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

বিয়ের কেবল কয়েক মাসের সংসার জীবন। তারপর থেকেই অমানবিক নির্যাতন, অশান্তি আর অপমান।

যৌতুকের জন্য স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে ১৩ বছর ধরে বাবার বাড়িতেই মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সমিতা রানী (৩২) অথচ এই দীর্ঘ সময়েও স্বামী রতন চন্দ্র রায় একবারও খোঁজ নেননি তার। কিন্তু তবুও স্বামীর সংসারে ফেরার আশায় বুক বেঁধে রয়েছেন তিনি। ঘটনাটি নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বামনা-বামনী হরিসভাপাড়া গ্রামের।

গ্রামের শ্রী রতন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী সমিতা রানীর বিয়ে হয়েছিল প্রায় ১৩ বছর আগে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনেই ঘটা করে হয়েছিল বিয়ে। কিন্তু দাম্পত্য জীবনের সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সমিতা জানান, তার বাবা একজন দরিদ্র মানুষ। তবুও বিয়ের সময় স্বামীর পরিবারকে দেড় লক্ষ টাকা ও নানা উপঢৌকন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পরেও যৌতুকের জন্য চাপ অব্যাহত থাকে।

বিয়ের অল্পদিনের মধ্যেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাকে বেধরক মারধর করে বাড়ির পাশেই ফেলে রেখে যায়। বাবা-মা চিকিৎসা করান। আমি আবার স্বামীর সংসারে ফিরতে চাইলে তারা আমাকে ঘরে তোলে নাই। অথচ এই ১৩ বছরে স্বামী আমাকে একদিনও খোঁজ করেনি, একটা সিঁদুরের কৌটাও দেয়নি। এখন সে নতুন বিয়ে করে সুখে সংসার করছে।”

খুটামারা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য দেলোয়ার রহমান বলেন, “আমি সমিতার বিয়েতে উপস্থিত ছিলাম। বিয়ের সময় রতনের বাবাকে দেড় লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। তখন থেকেই সমিতা বাবার বাড়িতেই অসহায় জীবন যাপন করছে।” তবে এ বিষয়ে রতন চন্দ্র রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

হিন্দু ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী নারীদের দ্বিতীয়বার বিয়ে করার সুযোগ নেই। এ কারণে নতুন জীবন শুরু করতেও পারছেন না সমিতা। ফলে ১৩ বছর ধরে বাবার সংসারেই দিন কাটাচ্ছেন তিনি। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি শুধুমাত্র পারিবারিক নয়, সামাজিকও বটে। যৌতুকের অভিশাপে একজন নারীর জীবন এভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া অত্যন্ত লজ্জাজনক।

তারা প্রশাসন ও সমাজপতিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ১৩ বছরের এই অপেক্ষার অবসান কি হবে? সমিতা কি কোনোদিন স্বামীর সংসারে ফিরতে পারবেন, নাকি আজীবন বাবার ভরসাতেই বাকি জীবন কাটাতে বাধ্য হবেন? এমনি প্রশ্ন স্থানীয়দের।

আরওপড়ুন ….মাধবপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে মারধর, চেয়ারম্যানপুত্রের বি রু দ্ধে হ-ত্যা চেষ্টার অভিযোগ।


Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2023 দৈনিক ক্রাইমসিন
Theme Customized BY ITPolly.Com
error: Content is protected !!

Discover more from দৈনিক ক্রাইমসিন

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading