
নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর প্রায় এক যুগ পার হতে চললেও মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিজীবীরা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ পে কমিশনের বিভিন্ন প্রস্তাবনা প্রকাশিত হলেও এখনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় চাকরিজীবীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন পে স্কেল একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। তাদের দাবি, আংশিক নয়, বরং একবারেই পূর্ণাঙ্গ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে হবে।
চাকরিজীবীদের মতে, দীর্ঘদিন পর বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি বাস্তব জীবনের আর্থিক চাপ কমাতে পর্যাপ্ত হবে না। তারা এক ধাপে শতভাগ নতুন পে স্কেল কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার আলোচনা থাকলেও জুনের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের উৎকণ্ঠা দিন দিন বাড়ছে।
ডা’কাতি মাম’লার আসা’মিদের প্রকাশ্য হু’মকির অভিযোগে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন
Subscribe to get the latest posts sent to your email.