
স্টাফ রিপোর্টার ::
দীর্ঘদিনের শাসন শেষে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৫ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে বঙ্গভবন থেকে সামরিক একটি হেলিকপ্টারে করে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দেশত্যাগ করেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, হেলিকপ্টারযোগে তারা বাংলাদেশের আকাশসীমা পেরিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর থেকেই রাজধানীজুড়ে জনতার স্রোত দেখা দেয়। দুপুর গড়াতেই বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গণভবনের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করে।
বিকেল ৩টার দিকে গণভবনের প্রধান ফটকের সব বাধা অতিক্রম করে সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-জনতা গণভবনের ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, ব্যানার এবং নানা প্রতিবাদী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গণভবনে প্রবেশের সময় কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগেই পিছু হটে যায়।
উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। জনগণের দীর্ঘদিনের বিক্ষোভ, ছাত্র-জনতার লাগাতার আন্দোলন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ছিল সময়ের দাবি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পদত্যাগ এবং দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গণভবন চত্বরে অবস্থান করছিলেন হাজারো আন্দোলনকারী, যারা ‘জনগণের সম্পত্তি জনগণের দখলে’ স্লোগান দিচ্ছেন।
পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজনৈতিক দলগুলো ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আরওপড়ুন..মাধবপুরে দুই কন্যাশিশুকে ঘরে রেখে বাবার আত্মহননের চেষ্টা, অক্ষত উদ্ধার
Subscribe to get the latest posts sent to your email.