
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) অচেতন করে ধর্ষণের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের নির্দেশে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। গত ২ জুন রাতে উপজেলার লোহাঈদ গ্রামের অভিযুক্ত কবিরাজ আঃ রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন ন দাস (২৫) কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে তারা খাবারের সাথে চেতনানাশক কোনো দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলে। এরপর ওই ঘরে থাকা ১৭ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
ভোরে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতর পরিবারের সবাইকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি দিঘীর পাড় গ্রামের সুরঞ্জন দাসকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। আসামি সুরঞ্জন দাসকে আজ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অপর আসামি আঃ রহিমকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
আরওপড়ুন …..মৌলভীবাজার যুবদল সভাপতির কেন্দ্রীয় পদ লাভে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
Subscribe to get the latest posts sent to your email.